মহেশখালীর কুতুবজোমে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে কু*পি*য়ে হ*ত্যা।

লেখক: হুমায়ুন রশিদ
প্রকাশ: ৪ years ago

মহেশখালী প্রতিনিধি : মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের তাজিয়াকাটাঁ এলাকায় পূর্বশত্রুতার জের ধরে লাল মিয়ার পুত্র চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবাদুল্লাহ, করিম বকসুর পুত্র আনছারুল করিম, জাহা বকসুর পুত্র মোস্তাক, মকসুদ মিয়ার পুত্র শরবত আলী, করিম বকসুর পুত্র মহি উদ্দিন, হামিদ বকসুর পুত্র কোরবান আলী, লাল মিয়ার পুত্র জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী অস্ত্রসহ হামলা চালিয়ে এক মাদ্রাসা শিক্ষকে হত্যা এবং অন্য এক মহিলা শিক্ষিকাকে কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে ২৫ আগষ্ট দুপুর ১২ ঘটিকার সময় তাজিয়াকাটাঁ সুমাইয়া (রাঃ) বালিকা মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে মরহুম শাহাব মিয়ার পুত্র তাজিয়াকাটাঁ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা জিয়াউর রহমানকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। শিক্ষক জিয়াউর রহমানকে উদ্ধার করতে গেলে তার স্ত্রী তাজিয়াকাটাঁ সুমাইয়া (রাঃ) বালিকা মাদ্রাসার শিক্ষিকা রহিমা আক্তারকে কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করেছে। আহত রহিমা আক্তারের অবস্থা আশংকাজনক মহেশখালী হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসক কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করে।

এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, লাল মিয়ার পুত্র চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবাদুল্লাহ, করিম বকসুর পুত্র আনছারুল করিম, জাহা বকসুর পুত্র মোস্তাক, মকসুদ মিয়ার পুত্র শরবত আলী, করিম বকসুর পুত্র মহি উদ্দিন, হামিদ বকসুর পুত্র কোরবান আলী, লাল মিয়ার পুত্র জাহাঙ্গীর আলম গংদের একটি সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে পুরো কুতুবজোমের শান্ত পরিবেশকে অশান্ত করে রেখেছে। তারা সড়ক ডাকাতি, চাদাঁবাজী, জেলেদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়, জলদস্যুতা,ইয়াবা চালান সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত। তাদের অত্যাচারে কুতুবজোমের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।

এব্যাপারে মহেশখালী থানার ওসি প্রনব কুমার চৌধুরী জানান,হত্যাকান্ডে সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।