‘মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিনিদের হটানোই সোলাইমানি হত্যার একমাত্র ক্ষতিপূরণ’

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৬ years ago
A handout picture provided by the office of Iran's Supreme Leader Ayatollah Ali Khamenei (L) shows him leading a prayer as the newly-appointed head of the Islamic Revolutionary Guards Esmail Qaani (2nd-L) performs the prayer over the caskets of slain Iranian military commander Qasem Soleimani and Iraqi paramilitary chief Abu Mahdi al-Muhandis at Tehran University in the Iranian capital on January 6, 2020. - Mourners packed the streets of Tehran for ceremonies to pay homage to Soleimani, who spearheaded Iran's Middle East operations as commander of the Revolutionary Guards' Quds Force and was killed in a US drone strike on January 3 near Baghdad airport. (Photo by - / IRANIAN SUPREME LEADER'S WEBSITE / AFP) / === RESTRICTED TO EDITORIAL USE - MANDATORY CREDIT "AFP PHOTO / HO / LEADER.IR" - NO MARKETING NO ADVERTISING CAMPAIGNS - DISTRIBUTED AS A SERVICE TO CLIENTS ===

ডেস্ক নিউজ :

ইরানের প্রভাবশালী জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার প্রতিশোধের প্রত্যয় ব্যক্ত করে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমেরিকাকে হটানোর আহ্বান জানিয়েছেন আল-কুদস ফোর্সের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কিয়ানি।

শুক্রবার ভোরে মার্কিন হামলায় সোলাইমানি নিহত হওয়ার পরে কিয়ানিকে তার স্থলাভিষিক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা একই শক্তিতে সোলাইমানির রেখে যাওয়া পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্তি করছি। তাকে হত্যার একমাত্র ক্ষতিপূরণ হতে পারে মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমেরিকাকে হটানো। রুশ গণমাধ্যম আরটির খবরে এমন তথ্য জানা গেছে।

সোমবার স্থানীয় এক গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাতকারে ইসমাইল কিয়ানে এমন দাবি করেন।

এদিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, আমাদের সব স্বার্থের জন্য হুমকি ছিলেন ইরানের জেনারেল কাসেম সোলাইমানি। কাজেই তিনি নিহত হওয়ায় আমরা শোকাহত না।

তবে সব পক্ষকে উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন লন্ডনের এই সাবেক মেয়র। ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানের খবরে এসব তথ্য জানা গেছে।

শুক্রবার সকালে কাসেম সোলাইমানি মার্কিন গুপ্তহত্যার শিকার হওয়ার পর রোববার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন তিনি।

ক্যারিবীয় দ্বীপে অবসর যাপন থেকে ফিরে বরিস জনসন বলেন, ইরাককেও তিনি শান্তি ও স্থিতিশীলতায় সমর্থন দিতে বলবেন।

ইরাক থেকে ব্রিটিশ সেনাসহ বিদেশি বাহিনী বরখাস্তে দেশটির পার্লামেন্টে আহ্বান জানানো হয়েছে। বরিস বলেন, আমাদের সব স্বার্থের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন কাসেম সোলাইমানি। মধ্যপ্রাচ্যে ধ্বংসাত্মক, অস্থিতিশীল আচরণের জন্য তিনি দায়ী ছিলেন।

‘তার নেতৃত্বের ভূমিকায় তিনি যে পদক্ষেপ নিয়েছেন, তাতে হাজারো নিরাপরাধ লোক ও পশ্চিমাদের মৃত্যুর দিকে ধাবিত করেছে। তার মৃত্যুতে আমরা শোক প্রকাশ করবো না।’

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা পরিষ্কার যে প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার সব আহ্বানে অঞ্চলটিকে আরও সহিংসতার ভেতর নিয়ে যাবে। তাতে কারো স্বার্থ নেই।