নূরুল হোছাইন ভূট্টো : টেকনাফ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ও ব্যাতিক্রমধর্মী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মঈন উদ্দিন মেমোরিয়াল কলেজে মহান বিজয় দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে পালিত হয়েছে। কর্মসূচীর বিষয় ছিল। সকাল ৮ঘটিকার সময় বিজয় র্যালী, ৮.৩০ ঘটিকায় জাতীয় পতাকা ও কলেজ পতাকা উত্তোলন, সকাল ৯টা হাড়ি ভাঙ্গা, মিউজিক্যাল বল খেলা, বস্থা দৌড়, কবিতা আবৃতি, উপস্থিত বক্তব্য, দেশাত্ববোধক গান, কৌতুক, আলোচনা সভা, পুরষ্কার বিতরণী এবং আলোচনা সভা।
আলোচনা সভা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আ,ন,ম তৌহিদুল মাশেক তৌহিদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট
শিল্পপতি, ট্রাস্টি ও গভর্নিং বডির সেক্রেটারী হেলাল উদ্দিন আহমদ। বক্তব্য রাখেন বিশেষ অতিথি, সম্মানিত ট্রাস্টি মোঃ রিদুওয়ানুল হক, কায়সার উদ্দিন আহমদ, আবুল কালাম আযাদ। বিজয় স্মারক নিয়ে গান করেন ট্রাস্টি মোঃ ইব্রাহিম খলিল। বক্তব্য রাখেন কলেজের বাংলা প্রভাষক আবু তৈয়ব।
উপস্থিত ছিলেন সম্মানিত ট্রাস্টি হাজ্বী এমদাদ উল্লাহ, মৌলানা আবুল কালাম আযাদ, নূরুল হোছাইন ভূট্টো।
কলেজের প্রভাষক -প্রভাষিকার মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কায়সার রশিদ, আমিরুন্নেছা খুকী, রাবেয়া বিন্তে বাদশাহ, তসলিমা আক্তার, মোঃ হোছাইন কুতুবি, মোঃ রিজুয়ান আল ইমরান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন বিজয়ের ৪৮ বছর পূর্ণ হলো আজ। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে লাখো প্রাণের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের আজকের দিনে অর্জিত হয় আমাদের স্বাধীনতা। জাতি আজ গভীর শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার সাথে স্মরণ করছে সেইসব ৩০ লাখ শহীদদের যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের প্রিয় স্বাধীনতা।
বাঙালির মুক্তি এসেছিল অনেক রক্ত ঝরিয়ে,শোষণ-বঞ্চনা আর যন্ত্রণা শেষে লাখো মানুষের আত্মহুতি ও বাংলা মায়ের আত্মদানের বিনিময়ে। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর ‘তলাবিহীন ঝুড়ি ‘ আখ্যায়িত করে যারা অপমান করেছিল, সেই তাদের কণ্ঠেই এখন বাংলাদেশের অগ্রগতির প্রশংসা। দারিদ্র্য আর দুর্যোগেরর বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশের কাতারে।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতের পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সেই প্রতিরোধ যুদ্ধ ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এই বাংলার মানুষ। ন্যায্য অধিকারের সশস্ত্র সেই সংগ্রামের সহায়তার হাত বাড়িয়ে এগিয়ে এসেছিল প্রতিবেশী ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ।
এরপর ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে মুক্তিবাহিনী ও ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সেনা কমান্ডেরর যৌথ নেতৃত্বে কাছে আত্মসমর্পণকরে পাকিস্তানি বাহিনী, লাল সবুজের পতাকা ওড়ে স্বাধীন ভূমিতে নতুন দেশ এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনী সম্পর্কে আলোচনা করেন ও এই বইটি পড়ার জন্য সকল ছাত্র-ছাত্রীকে উদ্ভুদ্ধ করেন। মোনাজাত পরিচালনা করেন ট্রাস্টি মৌলানা আবুল কালাম আযাদ।
