বার্তা পরিবেশক : ১৯ জুন দৈনিক আজকের দেশ-বিদেশ পত্রিকায় উখিয়া-টেকনাফ ইয়াবা সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে জাহাঙ্গীর,উখিয়া নিউজে ইয়াবা জাহাঙ্গীরের বেপরোয়া ইয়াবা বাণিজ্য এবং টেকনাফ টুডে উখিয়ায় কাঠ বোঝাই ট্রাক থেকে উদ্ধারকৃত ইয়াবা টেকনাফের লেদার জাহাঙ্গীর গ্রুপের শিরোনামসহ বিভিন্ন অনলাইন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে পারিবারিক জমি বিরোধ নিয়ে মামলা-মোকদ্দমা ও উত্তেজনার জেরধরে ধরে এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমার বাবা মরহুম লাল মিয়া বসত-ভিটাসহ ১৫কানি সম্পত্তি রেখে যান। এই জমি ক্রয়কালে বিএস,আরএস দাগ ভূল হওয়ায় আবার নতুন করে কিনে নিই। উক্ত জমি নিম্মোক্ত বিবাদীরা জবর-দখল করায় আমার পক্ষে বাদী হয়ে হ্নীলা পশ্চিম সিকদার পাড়ার মরহুম ইবনে আমিনের পুত্র জালাল উদ্দিন গত ০৯/০২/২০১৭ইং মৃত ইসলাম মিয়ার পুত্র ক্বারী মৌঃ মোঃ শাকের,মৃত আব্দুর রহমানের পুত্র সোলতান আহমদ,সোলতান আহমদের পুত্র আবুল কাশেম ও মুজিব মিয়ার বিরুদ্ধে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে এমআর মামলা নং-১৪২/১৭ইং দায়ের করা হয়। এরপর আদালতে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধপূর্ণ স্থানে ১৪৪ধারা জারী করে। কিন্তু পূর্ব লেদার মৃত আবু বক্কর ছিদ্দিকের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম, সোলতান আহমদের পুত্র শফিক আহমদ, আবু বক্কর, নুরুল আলম বাদী হয়ে গত ০৪-০৫-২০১৭ইং বিজ্ঞ যুগ্ন জেলা আদালতে জাহাঙ্গীর আলম, স্ত্রী রোকেয়া আক্তার, মৌঃ ক্বারী শাকের, বদর উদ্দিন, নজির আহমদ, নুর মোহাম্মদ, বাছে, লাছে, কৎসা ও মইংপ্রু রাখাইনের বিরুদ্ধে ১৮৪/১৭ইং মামলা দায়ের করে। আদালতে মামলা চলাকালে বিবাদীপক্ষ তা অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণ করতে গেলে আমরা বাঁধা দিতে চাইলে উভয়পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। বিরোধীয় জমির বিরোধ মিমাংসার জন্য স্থানীয় ইউপি মেম্বার নুরুল হুদা ও মোস্তাক আহমদ সওদাগরের নিকট কাগজপত্র নিয়ে সমঝোতা বসার আহবান জানানো হলেও কাগজপত্র ঠিক না থাকায় তারা ছল-ছাতুরীর আশ্রয় নিয়েছে। ক্বারী শাকের রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও রোহিঙ্গাদের হাতে লাঠি-সোঠা দিয়ে বিরোধীয় জমি জবর দখল করে কিছু মানুষের ফূর্তির জায়গা বানানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। যারা সত্যকে মিথ্যা আর মিথ্যাকে সত্য দিয়ে জায়েজ করার জন্য মিথ্যা সংবাদের আশ্রয় নিয়েছেন, আপনাদের বলছি আপনারাই উভয় পক্ষের কাগজ যাচাই করে সমস্যার সমাধান করে দিন।
আর আমাকে ইয়াবাসহ আটকের বিষয়টি একেবারে ভিত্তিহীন। ঐদিন আমাকে দিন-দুপুরে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে মুক্তিপণ আদায়ে ব্যর্থ হয়ে বিশেষ মহলের প্ররোচনায় ইয়াবা দিয়ে চালান করে। প্রশাসনের ঠেলায় ইয়াবা কারবারীদের চৌদ্দ গোষ্ঠী যেখানে পালিয়ে বেড়াচ্ছে ; সেখানে ইয়াবা বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ হাস্যকর, উদ্দেশ্য প্রণোদিত এবং ভিত্তিহীন ছাড়া কি হতে পারে তা সচেতন মহল অবগত রয়েছে। শহরে আমার কোন ফ্লাট বাড়ি ও গাড়ি নেই। আমার ভাই জাফর আলমের একটি প্রাইভেট গাড়ি রয়েছে; যা স্কুলে ছেলে-মেয়ে আনা নেওয়া করে। আমার ভাই রবিউল আলম কি ধরনের মানুষ তা এলাকার সকলেই জানে। তাকেও ইয়াবা ব্যবসায়ী বানিয়ে কি মজা পেলেন জানিনা। গত ১৫জুন রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উখিয়া থানা পুলিশ টেকনাফ থেকে আসা সেগুন কাঠভর্তি একটি ট্রাক তল্লাসী চালিয়ে ৩হাজার ইয়াবাসহ ট্রাক চালক উখিয়া রহমতের বিলের আবদু রহমানের পুত্র আব্বাস ও হেলপার সোনাইছড়ির হামিদুল হকের পুত্র খাইরুল বশরকে আটক করে। ঐদিন বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে বালুখালী এলাকার জনৈক ব্যক্তি প্র¯্রাব করার অজুহাতে পালিয়ে যায় বলে উল্লেখ করলেও প্রতিহিংসাবশত আজকের সংবাদে আমার নাম জড়িয়ে হয়রানি এবং বিভ্রান্তি করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী:
জাহাঙ্গীর আলম
পিতা-মৃত লাল মিয়া
লেদা, হ্নীলা, টেকনাফ।
