আজিজ উল্লাহ, বাহারছড়া :টেকনাফ বাহার ছড়া উত্তর শিলখালী মানব পাচার মামলাসহ ৮-৯ টি মামলার আসামি গত তিন বছর ধরে সরকারি খাস জমি দখল করে লবণ চাষিদের যেন প্রশাসক হয়ে ইজারা দিচ্ছে,তাতে লাখ লাখ টাকা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।এতে করে বিশাল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে স্থানীয় উত্তর শিলখালী মৃত আবু বক্করের ছেলে শামসুদ্দিন আহমদ ৫০(প্রকাশ বাঘ শামসু।
জানা যায়,শিলখালী মৌজার খাস খতিয়ান-১ এর বিশাল সরকারি জমি দখল করে লবণ চাষিদের লাগিয়ে ৮ লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
সরকারি ঐ জমিতে লবণ উৎপাদক আকরাম ও কাশেমের সাথের কথা বললে,তারা বলেন,প্রতি কানি ৬,০০০ টাকা করে প্রায় ৪৬ কানি জমিতে লবণ চাষ করা হচ্ছে।এসব জমির রায়তির টাকা শামসু মেম্বারকে দেওয়া হয়েছে।তাতে মাঠের সিংহভাগ জমি শিলখালী মৌজার খাস খতিয়ান ১ এর রয়েছে বলে জানা গেছে।গত তিন বছর ধরে প্রায় ৮/৯ লাখ টাকা চুক্তিতে তারা সরকারি জমিতে চাষ করে যাচ্ছে।তারা আরো বলেন,বাঘ শামসু বলছে সরকারি জমি হলেও তাদের ভাবার কোন দরকার নেই! এসব বিষয় সেই (বাঘ শামসু) বুঝবে বলে তাদের জোর করে চাষ করাচ্ছে।তারা আরো বলেন, সরকারি জমি হওয়ায় গেল বছর সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস তাদের বাসাসহ স্থাপনা ভেঙে দিয়েছিল।এবছর আসতে না চাইলে জোর করে তাদের দায়িত্ব নিয়ে এনেছে বলেও জানান।
জমির রায়তির পুরা টাকাই শামসুদ্দিন আহমদ নিয়ে নিচ্ছে এসব অবৈধ টাকার দাপটে ভূমি দস্যুতা করে যাচ্ছে মালয়েশিয়া মানব পাচারের আসামি।
এসব জমি গত বছর দখল মুক্ত করলেও বেআইনীভাবে রায়তি দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে মানব পাচার মামলার আসামি ও ভূমি দস্যু বাঘ শামসু।

তার বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় জিআর ৫৮/১৩, ৭৩৮/১৪, ৭৯/১৪, ৯৯৫/১৪,পিসিসি ৫২৭/১১ সহ বেশ কয়েকটি মানব পাচার মামলাসহ কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দা শাখাায় মানব পাচারের ২২৭/১৪ জিডিও রয়েছে।শুধু তা নয় এছাড়া হত্যা,জোরপূর্বক ভূমি দখল,মারামারিরসহ রামু থানায় ২৬২/১৮ অপহরণের একটি মামলাও আছে বলে জানা গেছে।এখন ভূমি দস্যুরুপে সরকারি জমি দখল করে বিশাল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়ে বুক ফুলিয়ে ভূমি দখল আরো অগ্রসর হচ্ছে।শুধু তা নয় এলাকার গরীর অসহায় মানুষদের শত বছরের দখলীয় জমি থেকে অবৈধ দালালির টাকায় উচ্ছেদ করে যাচ্ছে।
এদিকে এবিষয়ে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে বলেন, মানব পাচার মামলা গুলো ঠিক আছে, একটি মামলা খারিজ হয়েছে তবু এই মামলা গুলো ষড়যন্ত্রমূলক বলেও দাবি করেন,আর সরকারি জায়গা সরকার চাইলে নিয়ে নিতে পারেও বলে জানান।
এবিষয়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের দায়িত্বরত তহশিলদার আব্দুল জব্বার বলেন,গত বছর বিদায়ী ভূমি কমিশনার প্রনয় চাকমা এসব খাস জমি দখল উচ্ছেদ করে সাইনবোর্ড দিয়েছিল,তারপরও বেআইনিভাবে সরকারি ভূমি দখল করে যাচ্ছে।এসব বিষয়ে ভূমি অফিস অচিরেই ব্যবস্থা নিবে।তাতে করে জমি গুলো সরকারের দখলে চলে আসবে।দখল মুক্ত হলে সরকার কিছুটা টাকা রাজস্ব হলেও পাবে ঐ সরকারি জমির লবণের মাঠ থেকে।খাস জমিতে গুলো উদ্ধার করতে অচিরেই সার্ভি হবে বলেও জানান তিনি।
