বাইশারীতে ভিজিডি র ১৫ বস্তা চালসহ জনতা কর্তৃক ১ ব্যক্তিকে পুলিশে সোপর্দ : মুচলেকায় ছাড়

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৬ years ago

শামীম ইকবাল চৌধুরী : বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বাইশারীতে ১৫ বস্তা ভিজিডি” র চাউল সহ জনতা কতৃক ১ ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের নিকট সোপর্দ করেছে। তবে তদন্তপূর্বক লগুদন্ডসহ মুচলিকা দিয়ে ছাড়া পায় আটক ব্যাক্তি ।

ঘটনাটি ঘটছে ১৫ জুন (সোমবার) দুপুর ১ টার দিকে বাইশারী বাজার সংলগ্ন ষ্টীল ব্রীজের পুর্ব পাশ্বে ।
আটক ব্যক্তি ইউনিয়নের হলুদিয়াশিয়া গ্রামের বাসিন্দা মৃত তজিমুদ্দিনের পুত্র মোঃ কালু (৬৫) প্রকাশ কালু হাজি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান দুপুর ১টার দিকে স্থানীয় একটি টম টম গাড়ীতে করে সরকারী চাল নিয়ে বাইশারী বাজার হয়ে ঈদগড় সড়কের দিকে যাচ্ছিল। ঐ সময় জনতার সন্দেহ হলে স্থানীয় ইউপি সদস্য নুরুল আজিম সহ ১৫ বস্তা চাল, টমটম গাড়ী , ড্রাইভার লিয়াকত আলী ও চালের মালিক মোঃ কালু কে আটক করে বাইশারী তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশের নিকট হস্তান্তর করেন।

চাউল সহ আটক ব্যক্তি মোঃ কালু জানান তিনি চাল গুলো ভিজিডি কার্ডধারী মহিলাদের নিকট হইতে বস্তা প্রতি ১০০০ টাকা করে ক্রয় করেন।

বাইশারী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মোঃ লিয়াকত আলী জানান ঘটনাটি শুনে সাথে সাথে এস আই মাইনুদ্দিন ও এ এস আই ওমর ফারুক কে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে এবং চাল সহ ঐ ব্যক্তিকে তদন্তকেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়েছে। তিনি আরো জানান বিষয়টি নাইক্ষ্যংছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানানো হয়েছে এবং চাল গুলো কিভাবে এনেছে তদন্ত করা হচ্ছে ।

বাইশারী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আলম কোম্পানি বলেন তিনি বিষয়টি শুনার সাথে সাথে ঘটনাস্থল এ আসেন। চাউল গুলোসহ উক্ত ব্যক্তি কে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে আসেন। চেয়ারম্যান আলম আরো জানান সকল ভিজিড়ি কার্ডধারী মহিলাদের সভাসমাবেশের মাধ্যমে চাল বিক্রি নিষেধ করেছেন। তারপর ও এসব ঘটনায় তিনি উদ্বিগ্ন। বিষয়টি ইউ এন ও মহোদয়কে অবগত করেছেন।

এদিকে ভিজিড়ির কার্ডধারী সকল মহিলাদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা নিজেদের প্রয়োজনে চাল গুলো বিক্রয় করেছেন।
আর এদিকে সূত্রে জানাযায়,
করোনা পরিস্থিতে ঘরবন্ধি মানুষের মাছ ও তরিতরকারি ক্রয় ক্ষমতা নেই বলে তারা ঘরে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিজিডি পাওয়া চাল রেখে ঘরে রেখে বাকী চাল গুলো টাকার প্রয়োজনে বিক্রি করেছে বলে জানাযায়।
উক্ত বিষায়াদি কে চিন্তা করে প্রশাসন আটকৃত ক্রেতাকে লুগু দন্ড প্রদান করে মুচলিকা নিয়ে সন্ধ্যায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। তবে আটককৃত চাল জব্দ করে রাখা হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া আফরিন কচি জানান সরকারী চাল ক্রয় বিক্রয় অপরাধ।
ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করে তদন্ত পুর্বক প্রথম বারের মতো মুচলিকাসহ লগুদন্ড প্রদান করে ছাড়ে দেওয়া হয়। তবে আটককৃত চাল জব্দ করে রাখা হয়।

এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জব্দ করা চাল পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।