টেকনাফ টুডে ডেস্ক : আজ জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচিত একাদশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নেমেছে তামিম ইকবালের দল। টস জিতে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৯৬ রান।
ইনজুরির কারণে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট খেলতে পারেননি তামিম। তবে চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরেই রানের দেখা পেয়েছেন। ইনিংস উদ্বোধনে নেমেই আক্রমণাত্মক মেজাজে শুরু করেন তিনি। হারারের তাকাসিঙ্গা স্পোর্টস ক্লাব মাঠে জিম্বাবুয়ে একাদশের বিপক্ষে ৪৫ বলেই তুলে নেন ফিফটি। তামিমের ব্যাট থেকে আসে ৬৬ রান। ৬২ বলে ইনিংসটি সাজান ১১টি চার ও ১টি ছয়ের মারে।
কিছুটা হতাশ করেছেন নাইম, অনেকটাই ধীরগতির ব্যাটিং করেছেন। ৫২ বল খেলে ৩ বাউন্ডারিতে ২৫ রান করে চিভাঙ্গার শিকার হন এই তরুণ। ক্যাচ দিয়েছেন মুতুমবামিকে।
ব্যাটিং অর্ডার পরিবর্তন করে চার নম্বরে নেমে সুবিধা করতে পারেননি লিটন দাস। ফেরেন ২ রানে আউট হয়ে। বাকিদের সুযোগ দিতে স্বেচ্ছায় অবসরে যান মোহাম্মদ মিঠুন (৩৯), ও মোসাদ্দেক (৩৬)।
ওয়ানডে সিরিজের আগে পুরো দল তাকিয়ে ছিল সাকিবের ব্যাটের দিকে। তার আগে একমাত্র প্রস্তুতি ম্যাচেও সুবিধা করতে পারলেন না তিনি। ইনিংস বড় করার সুযোগ পেয়েও ৩৭ রান করে আউট হয়েছেন সাকিব।
নিষেধাজ্ঞা থেকে ফেরার পর থেকেই সাকিবের ব্যাটে রানখরা। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে ৩ ম্যাচে ব্যাট হাতে করেন ৩৮ রান। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঘরের মাঠে ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে তার ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১৯ রান। রান পাননি ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগেও। ৮ ম্যচে সর্বসাকুল্য ১২০ রান করেন তিনি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে একবার ব্যাট করতে নেমে ৩ রান করে আউট হন।
কিছুটা টি-টোয়েন্টিসুলভ ব্যাটিং করেছেন আফিফ। ২৩ বলে ৩ বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় আফিফের ব্যাট থেকে এসেছে ২৮ রান। কিন্তু ইনিংস বেশিদূর নিয়ে যেতে পারেননি তিনি। চিভাঙ্গার বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরেছেন তিনি।
শেষদিকে ব্যক্তিগত ১৮ রানে ফারাজ আকরামের শিকার হয়ে ফেরেন নুরুল হাসান। ১২ রানে সাইফউদ্দিন ও ৫ রানে অপরাজিত ছিলেন মিরাজ।
প্রস্তুতি ম্যাচের দুই দল:
জিম্বাবুয়ে:
আকরাম, রায়ান বার্ল, সিকান্দার রাজা, চামু চিবাবা, টেন্ডাই চিসোরো, চিভাঙ্গা, কামুনহুকামওয়ে, ওয়েসলে মাধেভেরে, মারুমা, মারুমানি, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, মুতুম্বামি, ভিক্টর নিয়াউচি, ডিওন মেয়ার্স।
বাংলাদেশ:
তামিম ইকবাল, লিটন কুমার দাস, সাকিব আল হাসান, নাঈম শেখ, মোহাম্মদ মিঠুন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, আফিফ হোসেন ধ্রুব, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মেহেদী হাসান মিরাজ, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাইজুল ইসলাম ও নুরুল হাসান সোহান।
