প্রথম আলোর “ আশার গুড়ে বালি, ইয়াবা আসছেই ” শীর্ষক সংবাদে উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা সাবের খানের ব্যাখ্যা

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৮ years ago

বার্তা পরিবেশক :: গত ১৯ ফেব্রুয়ারী দৈনিক প্রথম আলো অনলাইন ও পত্রিকায় প্রকাশিত “ আশার গুড়ে বালি, ইয়াবা আসছেই ” শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যা খুবই নিন্দনীয় এবং ইয়াবা কারবারীদের রক্ষা করতে নিরীহদের বলীদানের মতো জঘন্য ঘটনা। উক্ত সংবাদের ইয়াবা কারবারে রাজনৈতিক নেতাকর্মী ক্যাটাগরীর একাংশে আমার নামটি জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যা প্রশাসনের সাথে মাদক দমনের পরিবর্তে চোর তাড়াতে গিয়েই চোর হিসেবে আখ্যা দেওয়ার শামিল। আমি এই বিষয়টি সুস্থ ও সুন্দরভাবে তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের তালিকা প্রকাশের জন্য সরকারের উর্ধ্বতন মহলসহ সকল স্তরের আইন-শৃংখলা বাহিনীর প্রতি উদাত্ত জানাচ্ছি।

সম্মানিত পাঠক ও শুভাকাংখীদের অবগতির জন্য জানাচ্ছি,আমি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম পানখালী বিশিষ্ট জমিদার মৌলভী মোহাম্মদ আলীর ৪র্থ সন্তান। ২০০৪ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হ্নীলা হাইস্কুল শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হই। ২০০৮ সালে হ্নীলা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হই। এরপর হতে অদ্যবধি জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য এখনো টেকনাফ উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। রাজনীতির পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনে গত ৭ বছর ধরে লবণ ব্যবসা এবং গত ৩ বছর ধরে ঠিকাদারী করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। বর্তমানে টেকনাফ স্থলবন্দর হতে কফি, ক্যালসিয়ার, সুপারী, আচার জাতীয় দ্রব্যাদি এনে হ্নীলা বাসষ্টেশনে পাইকারী বিক্রি করছি। বরাবরই লবণ ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় ভূমিকা পালন করায় হ্নীলা ইউনিয়ন লবণ ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হই। আমি বরাবরই ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের উপজেলা দায়িত্বশীল হিসেবে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সাথে সমন্বয় রেখে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান করে আসছি।

মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী থাকায় ২০১২-১৩ইং সালের পশ্চিম সিকদার পাড়ার সন্ত্রাসী হামলার শিকার হই। যা এলাকার সর্বমহলে স্বীকৃত। কিন্তু হঠাৎ করে ইয়াবা কারবারে রাজনৈতিক দলের কাটাগরীতে আমার নামটি জড়িয়ে দেয়। এরপরও আমি বিবেকের কাঠগড়ার বিচার বাদ দিয়ে যদি ষড়যন্ত্রের কারণে মাদক ব্যবসায়ী হয়ে থাকি তাহলে এই পাপী দেহের আতœহনন ছাড়া কোন সুবিচার এখন আমার হাতে নেই।

এতেই জামায়াত-বিএনপির দোসর ও আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ মিলে আমাকে কালো তালিকাভূক্ত করে রাজনৈতিক স্বার্থহাসিলের জন্য দীর্ঘদিনের অপতৎপরতা ফসল বলে মনে করি। এরই ধারাবাহিকতায় সংবাদ মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের আশ্রয় নিয়েছে বলে মনে করি। আমি এসব ভিত্তিহীন অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য রাজনৈতিক সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও অনুসারী ভাইদের বিচলিত না হওয়ার আহবান জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী :
মোঃ সাবের খান
সাংগঠনিক সম্পাদক
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, টেকনাফ উপজেলা শাখা।