বার্তা পরিবেশক : গত ১৫ এপ্রিল আলোকিত টেকনাফ ও নিউজ কক্সবাজারে টেকনাফ শীলখালীর ইয়াবা কারবারী আবুল বশরের উত্থান যেভাবে, বন্দুকযুদ্ধ মামলা থেকে বাদ যেতে মরিয়া এমন একটি সংবাদের শিরোনামে আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদে আমার বিরুদ্ধে তথ্যহীন অনেক অপবাদ উল্ল্যেখ করা হয়েছে। সেখানে সব চেয়ে উল্ল্যেখযোগ্য বিষয় হল হ্নীলা সিকদার পাড়ার মোঃ হোসেনের পূত্র মোঃ ওসমান (২৫) পুলিশের সাথে ইয়াবাসহ বন্দুক যুদ্ধে নেত্রকোনায় নিহত হয়। তার সাথে নাকি আমার ইয়াবা সিন্ডিকেট রয়েছে। সে সম্পর্কে আমার শালা হলেও তাদের সাথে আমার এই ধরণের কোনো ব্যবসা বাণিজ্য নেই। প্রকৃত ঘটনা এই যে মোঃ ওসমান ছিলেন একজন সৌদি প্রবাসী। তিনি নিহত হবার দশদিন আগে বাংলাদেশে বেড়াতে এসেছিলেন। যার পার্সপোট ও প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র আমাদের কাছে আছে। সে সৌদিতে একটি আবাসিক হোটেলে চাকরি করত, যার মালিক বাংলাদেশের নেত্রকোনার এক ব্যক্তি। সে মালিকের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার জন্য নেত্রকোনায় গিয়েছিল। সে নেত্রকোনায় যাওয়ার পরদিন সকালে পুলিশ রাস্তার পাশে আমার শালা মোঃ ওসমানের গুলিবিদ্ধ লাশ দেখতে পায়। পরে আমার শাশুর বাড়ির লোকজন বিভিন্ন মাধ্যমে মোঃ ওসমানের নিহত হওয়ার খবর জানতে পেরে তার মেঝ ভাই নেত্রকোনায় গিয়ে পুলিশের কাছ থেকে লাশটি গ্রহন করে। কিন্তু পুলিশ সে নিহত হবার কোনো কারণ তার মেঝ ভাইকে জানাতে পারেনি। এবং কোনো মাদক মামলাও করেনি। এর আগেও ওসমানের নামে মাদক মামলাত দুরের কথা টেকনাফ থানায় একটি জিডিও ছিলনা। কারণ সে ছিল একজন সৌদি প্রবাসী। অথচ উল্ল্যেখিত দুইটি অনলাইনে সংবাদের এক অংশে উল্ল্যেখ করা হয় যে ওসমানের লাশের পাশ থেকে পুলিশ ৭০৫ গ্রাম হিরোইন ও তিন হাজার পিচ ইয়াবা জব্দ করে। তার সাথে নাকি মোঃ ঈসমাইল নামক আরো এক ব্যক্তি নিহত হয়। সে নাকি সম্পর্কে আমার বউয়ের চাচাত ভাই। কিন্তু আমার বউয়ের এই নামে কোনো চাচাত ভাই নেই। এই সবকিছু মুলত সাজিয়েছে আমাকে হয়রানী করার জন্য ও ইয়াবাকারবারী বানানো জন্য। অন্যদিকে উক্ত সংবাদের শিরোনামে আরো উল্ল্যেখ করা হয়েছে যে গত ৩০-০৩-২০১৯ তারিখে টেকনাফ মডেল থানায় ইয়াবা ও বন্দুক যুদ্ধের তিনটি মামলা হয়। যার ঘটনাস্থল টেকনাফ হাবীবছড়া বাজারের পূর্বে পাহাড়ের পাদদেশে। পুলিশ এক ডাকাত ও ইয়াবাকাবারীকে আটক করে ঐ স্থানে অভিযানে যায়। মামলার বিবরণ অনুযায়ী তখন রাত ২১.৩৫ মিনিট। অথচ আমি একজন এলাকার পরিচিত মুখ ও জমি ব্যবসায়ী। সেনাবাহিনীসহ বেশ কয়েকটি সংস্থার সাথে আমার জমি ব্যবসা রয়েছে। ঘটনাস্থল আমার বাড়ি থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দুরে। এত রাতে আমি ওখানে কেন যাব।? আর উক্ত মামলাতে ১২ নং আসামীতে আমার নামটি দেওয়া হয়। আমি পুলিশকে দুষ দেবনা,আমার এলাকার কিছু শক্র আমার নামটি ঢুকিয়ে দিয়েছে। দুষ্ট তদন্ত করলে ইনশাল্লাহ আমি নির্দোষ প্রমানিত হব। ইতি মধ্যে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সুপার বরাবর আমি একটি দরখাস্ত দিয়েছি। সংবাদে আরো উল্ল্যেখ করা হয় আমি নাকি উক্ত মামলার বিষয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। এটি একটি ডাহা মিথ্যা কথা। আমি পুলিশ সুপার বরাবর যে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি তা হল এলাকার কিছু শক্র আমার নামটি পুলিশের অজান্তে ডুকিয়ে দিয়েছে । যার অনুলিপি আমার কাছ আছে,আমি শুধু এই মামলা থেকে সুষ্ট তদন্তের মাধ্যমে প্রতিকার চেয়েছি। আমি যদি ইয়াবা ব্যবসায়ী হই তাহলে নিশ্চয় আইন আমাকে শাস্তি দিবে,আর না হলে মুক্তি দিবে আমি এই বিশ্বাসটা রাখি। আর আমি এই মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে আমি কোর্টে আইনি সহায়তা নেব। সব মিলিয়ে আমি উক্ত মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
প্রতিবাদকারী :
আবুল বশর
বাহারছড়া শীলখালী, টেকনাফ, কক্সবাজার।
