টেকনাফ টুডে ডেস্ক |
পর্যটক বেশে টেকনাফের সাবরাং এলাকা থেকে মো. রফিক (২৮) নামে এক মানবপাচারীকে আটক করেছে সিআইডি পুলিশ।
২৬ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকাল সাড়ে চারটার দিকে টেকনাফের সাবরাং বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
সূত্র জানায়, টেকনাফ থানার মানবপাচার মামলা নং-২২ এর আসামীদের ধরতে মঙ্গলবার কক্সবাজার আসে ঢাকার সিআইডির সদর দপ্তরের ইকোনোমিক ক্রাইম স্কোয়াড। পরে ক্রাইম স্কোয়াডের সদস্যরা পর্যটক বেশে টেকনাফের সাবরাং বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় সাবরাং বাজারের একটি ওষুধের দোকান থেকে মানবপাচার মামলার আসামী মো. রফিককে আটক করা হয়।
রফিক সাবরাং ইউনিয়নের কচুবনিয়াপাড়া এলাকার মো. ছিদ্দিকের ছেলে। ওই মামলায় ছিদ্দিকও আসামী।
অভিযানের নেতৃত্ব দেন স্কোয়াডের সহকারী পুলিশ সুপার নাজিম উদ্দিন আল আজাদ ও মামলার তদন্তকারী, পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম খাঁন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম খাঁন বলেন, রফিক এবং তার বাবা ছিদ্দিকসহ কয়েকজনের একটি সিন্ডিকেট দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে লোকজনকে প্রলোভনে ফেলে টেকনাফের সাবরাং নিয়ে এসে তাদের বাড়িতে রাখতো। পরে রাতের বেলায় ট্রলারে তুলে গভীর সাগরে নিয়ে গিয়ে লোকজনকে জিম্মি করে অমানবিক অত্যাচার চালিয়ে তাদের পরিবারের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করতো। ২০১৫ এবং ১৬ সালে দুই বছরে রফিকের বাবা ছিদ্দিকের ইসলামী ব্যাংক কক্সবাজার শাখা এবং টেকনাফ শাখার একাউন্টে মানবপাচারের আড়াই কোটি টাকা জমা হয়। এসব তথ্য স্কোয়াডের হাতে রয়েছে। পরে ২০১৬ সালের ৮ ডিসেম্বর রফিক এবং তার বাবা ছিদ্দিকসহ চারজনের বিরুদ্ধে মানবপাচার আইনে টেকনাফ থানায় মামলা দায়ের হয়। ওই মামলায় দীর্ঘদিন ধরে আসামীরা পলাতক ছিল। পরে বুধবার অভিযান চালিয়ে রফিককে আটক করা হয়। বাকিরা এখনো পলাতক।
তিনি আরও বলেন, রফিককে কাল (বৃহস্পতিবার) কক্সবাজার আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে।
