পরিত্যক্ত বস্তায় ১৩ কোটি ২০ লাখ টাকার ইয়াবা উদ্ধার

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৭ years ago

শামীম ইকবাল চৌধুরী : রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের হাজিরপাড়া এলাকার খামার বাড়ীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত বস্তা থেকে ৪ লাখ ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি (১১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন) বিজিবি। ভোর রাতে রামুর কচ্ছপিয়া হাজিরপাড়া এলাকার খামার বাড়ী থেকে ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক মূল্য ১৩ কোটি ২০ লাখ টাকা। পাচারকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করতে পারেনি বিজিবি।
তবে ইয়াবা করবারীরা বর্তমান টেকনাফ-কক্সবাজার রোড চেয়ে রামুর কচ্ছপিয়া ও নাইক্ষ্যংছড়ির আশারতলী-চাকঢালা-লেবুছড়ি এলাকা রোডগুলোকে নিরাপদ মনে করে, এই ইয়াবা ব্যবসা নতুন করে চালু করার পরিকল্পনা চালাছে বলে অনুমান করছেন এলাকাবাসীরা । এমন সময় ১১বিজিবির জোয়ানেরা অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণের ইয়াবা চালানটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।
এই উদ্ধারকৃত বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রেস-ব্রিফিং এ ১১ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আসাদুজ্জামান বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি জানতে পারে নাইক্ষ্যংছড়ি ১১বিজিবির আওতাধীন রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের হাজীরপাড়া এলাকার এক পাহাড় টিলার সংলগ্নে খামারবাড়ীতে ইয়াবার একটি বড় চালান মিয়ানমার থেকে এ দেশে আনা হবে। এ তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবির একটি দল ওই এলাকায় অবস্থান নেয়।
এ সময় পাচারকারীরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। পরে খামারবাড়ী তল্লাশী চালিয়ে খড় দিয়ে ঢাকানো পরিতাক্ত বস্তা থেকে ১৩ কোটি টাকার ২০ মূল্যের ৪ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়।তবে পাচারকারীদের অাটক করতে সক্ষম না হলেও এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের সংশ্লিষ্ট আইনের আওতায় আনা হবে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে
তিনি আরও বলেন,
উদ্ধারকৃত ইয়াবাগুলো নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ব্যাটালিয়নে জমা রাখা হয়েছে। পরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বেসামরিক প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এগুলো ধ্বংস করা হবে বলেও জানান তিনি।