নয়াপাড়ায় জাফরু গ্রুপের ছুরিতে রক্তাক্ত মোনাফ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ; আহতদের প্রাণনাশের হুমকি!

লেখক: হুমায়ুন রশিদ
প্রকাশ: ৪ years ago

বিশেষ প্রতিবেদক : টেকনাফে নয়াপাড়া রেজিষ্টার্ড ক্যাম্পের স্বশস্ত্র সন্ত্রাসী জাফরু গ্রুপের সদস্যদের এলোপাতাড়ি মারধর ও ছুরিকাঘাতে দুই ভাই আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে রক্তাক্ত মোনাফ গত ৪দিনধরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এই ঘটনার পর অপরাধীরা আইনের আওতায় না আসায় উল্টো প্রাণনাশের হুমকিতে আহতদের পরিবারে চরম ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

গত ২১ অক্টোবর (শুক্রবার) সন্ধ্যার দিকে নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পের এইচ ব্লকের পীর মোহাম্মদের পুত্র আব্দুল মোনাফ (২৬) এবং আব্দুর রহিম (২৪) কে একই ক্যাম্পের এইচ ব্লকের আজিজুল হকের পুত্র জুবাইর ওরফে জুইন্যা, হাত কাটা মোঃ আলম, আমান উল্লাহ, তাহের, বি-ব্লকের হাফেজ আহমদ এর নেতৃত্বে গোদার পাড় সংলগ্ন এলাকায় মুদির দোকানে এসে অর্তকিতভাবে কথা কাটাকাটিতে লিপ্ত হয়। এক পর্যায়ে সবাই মিলে দুই ভাইকে মারধর করে। এক পর্যায়ে তাদের বাঁধা দিতে চাইলে আজিজুল হকের পুত্র জুবাইর ওরফে জুইন্যা দোকানদার আব্দুল মোনাফকে উপর্যুপরি উরু এবং হাতে ছুরিকাঘাত করে বীরদর্পে পাহাড়ের দিকে চলে যায়। পরে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় ক্যাম্প হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তম্মধ্যে মোনাফের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে সে গত ৪দিনধরে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

আহত আব্দুর রহিম জানান,উপরোক্ত দূবৃর্ত্তরা ক্যাম্পের জাফরু গ্রæপের সদস্য। তারা ক্যাম্পে বিভিন্ন অপরাধ করার পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সাধারণ মানুষকে অপহরণ করে পাহাড়ে নিয়ে যায়। গভীর রাতে তারা দোকানে এসে মালামাল কিনতে চায়। কিন্তু পরিস্থিতি খারাপের কারণে গভীর রাতে মালামাল বিক্রি না করায় তারা ইচ্ছাকৃতভাবে আমার দোকানে এসে আমাদের উপর হামলা চালায়। আমার ভাইকে ছুরিকাঘাত করে। ভাইয়ের রক্তে পার্শ্ববর্তী এলাকা রঞ্জিত হয়ে গেছে। এখন সে চিকিৎসাধীন। ক্যাম্পে দায়িত্বরত প্রশাসনকে বিষয়টি মৌখিকভাবে অবহিত করা হলেও অপরাধীদের কেউ আটক হয়নি। বরং হামলাকারীরা এই ব্যাপারে মামলা করলে অথবা কোথাও অভিযোগ দিলে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে। এই স্বশস্ত্র দূবৃর্ত্ত চক্রের ভয়ে এখন ভিকটিম ও তার পিতা প্রাণে বাঁচতে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

ভিকটিমের পরিবার জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে জাফরু গ্রুপের উপরোক্ত সদস্যদের ‌আইনের আওতায় আনার জন্য নয়াপাড়া রেজিষ্টার্ড শরণার্থী ক্যাম্পে নিয়োজিত প্রশাসন ও আইন-শৃংখলা বাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। ###