শামীম ইকবাল চৌধুরী : নাইক্ষ্যংছড়ি হাজী এম,এ কালাম সরকারী কলেজে ব্যাক্তিগত দ্বন্দের জেরে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে রাকিবুল হাছান ছোটনের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ১ম বর্ষের আনোয়ার হোসেন এখন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এ সময় আহত হয়েছে আরও ১ জন।
১১ জুন শনিবার সকাল সাড়ে ১১টা উপজেলার এম,এ কালাম সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে এই ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা জানান , গত সোমবার ১০টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসে এইচ,এস,সি ১ম বর্ষের রাকিবুল হাসান ছোটনের সাথে একি ক্লাসের শিক্ষার্থী মো, আক্তার এবং আনোয়ার হোসেন চলার পথে গায়ে ধাক্কা লাগে। তাতে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি পরে হাতাহাতি হয়। পরে কলেজ কতৃপক্ষ এবং কলেজ নেতৃবৃন্দের নিয়ে সমাধানের বৈঠক বসে। বৈঠকে সমাধান হয়। শনিবার সকালে ফেসবুকের পাল্টা-পাল্টি স্ট্যাটাস নিয়ে ঘটনার পুনরাবৃত্ত ঘটে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্য দিয়ে এক পর্যায়ে ১ম বর্ষের রাকিবুল হাসান ছোটন ধারালো অস্ত্র নিয়ে প্রথমে আনোয়ার হোসেনকে পেটে ভূড়ীতে আঘাত করে এবং একি বর্ষের শিক্ষার্থী আক্তারকেও হাতের বাহুতে গুরুত্বর আঘাত করে। সে সময় ঘাতক রাকিবুল হাসান ছোটনকে নাইক্ষ্যংছড়ি থানার পুলিশ আটক করতে সক্ষম হয়। পরে তাকে থানার হেফাজতে রাখা হয়। তবে পরিবারের পক্ষে এখনো কনো মামলা দায়ের করা হয়নি।
সূত্রে মতে জানাযায়, এইচ,এস,সি ১ম বর্ষের আনোয়ার হোসেন এবং মো, আক্তারকে গুরুত্বর আঘাতে রক্তাক্ত অবস্থায় নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্মরত চিকিৎসক প্রাথমিক ভাবে গুরুত্বর আঘাত দেখে দ্রুত কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসার করার পরার্মশ দেন। কক্সবাজার সরকারি সদর হাসপাতালে ভর্তি করার পর সেখানেও কর্তব্যরত চিকিৎসক দুই জনের মধ্যে আনোয়ার হোসেন নামক শিক্ষার্থীর অতিরিক্ত আঘাত দেখে দেখে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার নেওয়ার পরার্মশ ও ছাড়পত্র দিয়ে দেন।
আরএদিকে, শনিবার সন্ধায় ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি এম,এন সেলিম জানান, ঘটনার পর একদফা কলেজ কতৃপক্ষকে নিয়ে মিমাংসা বৈঠকে মিমাংসা হয়।
তবে আজ শনিবার কলেজ ক্যাম্পাসে ঘটনার পুনরাবৃত্ত ঘটে যাওয়ার ঘটনাটি একেবারে দুই পক্ষের ব্যাক্তিগত দ্বন্দ। কোন রাজনৈতিক দ্বন্দ নয় বলে জানা কলেজের এই সভাপতি ।
নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা টানটু সাহা জানান, কলেজে দুই পক্ষের হামলার ঘটনার খবর শুনে তাৎক্ষনিক থানা থেকে পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে আঘত রাকিবুল হাসান ছোটনকে আটক করে থানা হেফাজতে রাখা হয়। তবে পারিবারিক ভাবে কোন মামলা দায়ের করা হয়নি। বিষয়টি সঠিক তদন্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
তবে প্রাথমিক তদন্তে জানাযায় সংগঠিত ঘটনাটি একেবারে তাদের ব্যাক্তিগত দ্বন্দের জের। কোন রাজনৈতিক দ্বন্দ নয়।
