শামীম ইকবাল,নাইক্ষ্যংছড়ি : নাইক্ষ্যংছড়ির সদর ইউনিয়নের প্রাণ কেন্দ্র নাইক্ষ্যংছড়ি বাজারে গর্ভবতী একটি মহিষ জবাই করার অভিযোগ পাওয়া যায়। গত ২১ সেপ্টম্বার শুক্রবার এই ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া আফরিন কচি ঘটনাস্থলে যাওয়ার খবর পেয়ে কসাইরা পালি যেত সক্ষম হয়। পলাতকেরা হলেন, কসাই নিয়মত উল্লাহ (৫৫), মো, সেলিম (৫৭), গফুর ওরফে গাল গফুর (৪৭)।
আর এদিকে, এই তিন সদস্যের সেন্ডিকেটেরা উপজেলা প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের কর্মচারিদেরকে ম্যানেজ করে এসব অমানবিক কাজ করে আসছে দীর্ঘদিন যাবৎ। অমানবিক কাজ কর্ম নিয়ে বাজারে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের মাঝে অভিযোগ উঠেছে অনেক বার। তবে প্রশাসনকে বিভিন্ন কায়দায় ম্যানেজ করে পার পেয়ে যাচ্ছে এই সিন্ডিকেটটি।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় লোকজন জানায়, এই তিন সদস্য সিন্ডিকেট কসাইদের অমানবিক কর্মকান্ডে সাহস জোগাচ্ছে প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের কর্মচারি মো, জসিম উদ্দীন।
মো,গফুর ওরফে গাল গফুর ওই সিন্ডিকেটের প্রধান। সেই বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দূর্বল ও রোগা জনিত গরু, ছাগল ও মহিষ কম মূল্যে ক্রয় করে থাকে। পরে বাজারে এনে প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের যোগ সাজশে জবাই করে চড়া দামে বিক্রি করে আসছে।
তবে আজ মুসলিমদের ধর্মীয় ফাতেহা দিন। গর্ভবতী মহিষ জবাই করে অন্যান্য কাজ করতে গিয়ে মহিষের পেটের বাচ্চাটি চিৎকার করলে ওই কসাইরা বাচ্চার চিৎকার থামাতে চুরি দিয়ে আঘাত করে। এসময় বাজারে মাংস ক্রয় করতে যাওয়া লোক জনের চোখে পড়ে যায়। তা এলাকায় অমানবিক কর্মকান্ডের ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ে।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, কসাই গফুর, সেলিম ও নিয়ামত উলাহ সিন্ডিকেট করে এই বাজারে প্রায়ই অসুস্থ্য ও চুরির গরু জবাই করে মাংশ বিক্রি করে থাকে। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সুকান্ত কুমার সেন বলেন, গর্ভবতী গাভী জবাই করা আইনত: দন্ডনীয় অপরাধ। এমন কাজে বাছুরটিকে হত্যা করা হয়। আমরা এ ঘটনায় দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিব। আর জসিমের যোগসাজশের বিষয়টি তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্ত কসাই মো, গফুর,সেলিম ও নিয়ামতের মোবাইলফোনে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি।
