নাইক্ষ্যংছড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানিদের মাঝে আর্থিক ও রেশনসামগ্রী বিতরণ করছে বিজিবি

লেখক: হুমায়ুন রশিদ
প্রকাশ: ৩ years ago

শামীম ইকবাল চৌধুরী : নাইক্ষ্যংছড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঘটে যাওয়া ৭ দোকানিকে আর্থিক অনুদান ও রেশন সামগ্রী বিতরণ করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ১১,বর্ডার গার্ড ব্যাটালিন(বিজিবি)।

জানাযায়, ১২ জুলাই বুধবার ভোর সকালে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার হাজী এম,এ কালাম সরকারী কলেজ গেইটের সামনের মার্কেটে ৭টি দোকান পুড়ে ছাই হয়েছে। এতে ক্ষয়ক্ষ হয়েছে প্রায় ৩১ লাখ ৭০ হাজার টাকার মালামালসহ কিছু ক্যাশ টাকা।

এসময় অগ্নিকান্ডের ক্ষয়ক্ষতি হওয়া বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইন পত্রিকা মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তাৎক্ষনিক বিজিবি,র জোয়ানেরা ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যের হাত বাড়ান।

জানাযায়, ১২জুলাই বুধবার ১টা ৩০মিনিটের সময় উপজেলার অধীন্থ ১১,বর্ডার ব্যাটালিয়ান (বিজিবি) কতৃক ক্ষতিগ্রস্ত ৭ দোকানিদের পাশে আর্থিক ও রেশন সামগ্রি নিয়ে উপস্থিত হয়ে প্রত্যেক দোকানিকে ৫ হাজার টাকা ও ১০ কেজি চাল,২ কেজি ডাল, ২ কেজি চিনি, ২লিটার তৈল ও ১ কেজি করে লবন সামগ্রি বিতরন করা হয়।

১১, বিজিবি উপ-অধিনায়ক মেজর মোঃ মহিউদ্দিন এসপিপি,পিএসসি বলেন, সীমান্তে অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধের পাশাপাশি আকস্মিক মানবিক দূর্ঘটনার কোন খবর পেলে বিজিবি চেষ্টা করে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সহযোগিতা হাত বাড়িয়ে দিতে । তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে এই মানবিক দূর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে প্রাথমিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়ে যতসামান্য কিছু দিতে পেরে বিশেষ করে বিজিবি গর্বিত।

এদিকে,ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদার মুহাম্মদ রফিক জানান, ঘটে যাওয়া ৭টি দোকানের মধ্যে আমি বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। আমার মুদির দোকান থেকে এক পিস মালও বাহির করতে পারিনি।
আমার সর্বমোট ৭ লাখ থেকে ৮ লাখ টাকা মতো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমার শেষ সম্বল হারিয়ে এখন আমি পরিবারপরিজন নিয়ে কি ভাবে চলবো তা দিশাহারা হয়ে পড়েছি। আমি যেন ব্যবসাতে ঘুরে দাঁড়াতে পারি সেই ব্যবস্তা টুকু স্থানীয় প্রশাসন ও বিভিন্ন এনজিওদের সংস্থা থেকে ব্যবসায়ীক লোনের সহযোগিতা কামনা করছি।
উল্লেখ্য, ১২ জুলাই (বুধবার) ভোর রাত সাড়ে ৩টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর উপজেলার হাজী এম, এ কালাম সরকারি কলেজ গেইটের সামনে মার্কেটের ৭টি দোকান পুড়ে ছাই হয়েছে।
এতে ৭ দোকানি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।