বার্তা পরিবেশক :: সাবেক সাংসদ ও টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতিকে জড়িয়ে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে মানহানির চেষ্টায় লিপ্ত থাকায় দেশের গর্জন অনলাইনকে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। আগামী ৩দিনের মধ্যে উপযুক্ত জবাব দিতে ব্যর্থ হলে ৫ কোটি টাকার মানহানিসহ তথ্য-প্রযুক্তি আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
লিগ্যাল নোটিশে তিনি উল্লেখ করেন, গত ৪ অক্টোবর “ দেশের গর্জন ” অনলাইন পত্রিকায় “ প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নকে অস্বীকার করলেন টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী ” শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উন্নয়ন মেলায় সাবেক সাংসদ ও টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে আমি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মেরিন ড্রাইভ সড়ক, শাহপরীর দ্বীপ বেড়িবাঁধ, সাবরাং ইকোনমিক জোন ও জালিয়ার দ্বীপ ট্যুরিষ্টজোনের কথা বলেছি। পাশাপাশি স্থানীয় উন্নয়নের জন্য এমপি এবং উপজেলা প্রশাসনের বরাদ্ধ হয়ে থাকে। এসব কমিটিতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সম্পৃক্ত না করায় স্থানীয় উন্নয়ন কাজ ঠিকমতো বাস্তবায়ন হয়না। যার ফলে কর্মসৃজন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলেও পারসেন্ট হিসেবে অর্ধেক চলে যায় নেতাদের পকেটে। বাকি অর্ধেক দিয়ে একই স্থানে একাধিক প্রকল্প দিলেও উন্নয়ন চোখে পড়েনা। এসব উন্নয়ন কাজে দলীয় নেতা-কর্মীদের সম্পৃক্ত করা হলে গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন আরো দৃশ্যমান হতো। এই কথার ফলে দূর্নীতিবাজ আমলা ও কতিপয় জনপ্রতিনিধিদের মাথার ঠনক নড়ে যায়।
আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাকে মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রতিদ্বন্দি মনে করে অর্থের বশীভূত হয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ইন্দনে আমার আসল বক্তব্যকে বিকৃত করে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও কাল্পনিক সংবাদ প্রকাশ করে। যার ফলে আমার পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ও সুনাম ক্ষুন্ন হয়েছে। তাই আমি আমার আইনজীবির মাধ্যমে উক্ত অনলাইন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক, পরিচালনা সম্পাদক এবং জেলা প্রতিনিধি (টেকনাফ পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড মধ্যম জালিয়া পাড়ার আবুল কাশেমের পুত্র মোঃ আলমগীর) কে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। উক্ত লিগ্যাল নোটিশ প্রাপ্তির ৩দিনের মধ্যে সংবাদ প্রত্যাহার করে ও ক্ষমা না চাইলে ৫ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করা হবে।

