তরমুজের গাড়ীতে আসছে করোনা, ফিরতি ট্রিপে যাচ্ছে ইয়াবা !

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৬ years ago

পিকলু দত্ত, টেকনাফ :

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষন করে বলছি টেকনাফে এ পর্যন্ত ৩ ব্যক্তির করোনা ধরা পড়েছে। তারমধ্যে দুইজন আম ব্যবসায়ী, তারা আম নিয়ে ঢাকায় গিয়ে করোনা নিয়ে আসেন টেকনাফে। সেই সূত্র ধরে বলছি এখন যারা তরমুজ আনতেছেন তারা করোনা নিয়ে আসছেন না তো ? আর ফিরতি ট্রিপে এসব গাড়ী যে ইয়াবা নিয়ে যাচ্ছেন না তার গ্যারান্টি কোথায় ! অতীতে এধরনের পন্য পরিবহনের আড়ালে ইয়াবা পাচারের বহু দৃষ্টান্ত আমাদের সামনে রয়েছে।

তাই বলছি প্রিয় আইন শৃংখলা বাহিনীর স্বনামধন্য কর্মকর্তাবৃন্দ আপনাদের সুনাম ধরে রাখতে তরমুজের গাড়ী গুলো আটকান। যে সমস্ত গাড়ী তরমুজ নিয়ে আসে সেগুলো ঢাকার লাইনের গাড়ী যদিও তারা বলে নোয়াখালী হতে তরমুজগুলো আনে কিন্তু যে গাড়ীগুলো নিয়ে আনে সেগুলো একটি ও নোয়াখালীর না সবই ঝুকিপূর্ন নারায়নগন্জেরই গাড়ী। যে ড্রাইভার গুলো আসে সবারই বাড়ী কুমিল্লা,নারায়নগন্জের মালিকের কাগজপত্র চেক করলে বুঝতে পারবেন, কোন মালিক যদি না যায় টাকা নিয়ে তাহলে তরমুজ আনতে পারেনা, তাই মালিকগুলো প্রতিদিন যায় কিভাবে ?

টেকনাফের সে সমস্ত লোকেরা নিত্যদিন যাচ্ছে যে গাড়ী তরমুজ নিয়ে বসে সে গাড়ী যাবার সময় ২/৩ জন প্রতি গাড়ীতে যাই, গাড়ীর হেল্পার পরিচয়ে কিন্তু গাড়ী ভাড়া দে আসতে।

যত তরমুজ নিয়ে তার অর্ধেক তাহলে কি লাভ সে করছে তরমুজ থেকে সবার মুখে মুখে ছিল আমের গাড়ীর সাথে ইয়াবা যায়, যদি তা হয়ে থাকে অর্ধেক ভাড়া দিয়ে তরমুজের চালান খালাস করে যারা যাই তারা কি আসলে তরমুজের জন্য যায় নাকি নামে তরমুজ কাজে অন্যকিছু ভাববার বিষয়!কেননা তরমুজের পুরো গাড়ী আসে ঠিক অর্ধেক খালাস করে টেকনাফ সিঙ্গার শো রুমের সামনে আর অর্ধেক নিয়া যায় শরনার্থী।

ক্যাম্পে কারন জানতে চাইলে ওখানকার রিফুউজীরা লাল তরমুজ বেশি খায়,তাই নাকি লাল বাবা নিয়ে যাওয়াই মূল উদ্দেশ্য রিফুইজি ক্যাম্পে অাসার সময় খালাস না করে তরমুজ টেকনাফ থেকে যাবার সময় খালাস করে তাহলে যদি লাল বাবা নিয়ে যায় বেচেঁ যায় ২/৩টা চেকপোষ্ট, যাবার সময় চেক করে না গাড়ী যেহেতু কাচাঁবাজার নিয়ে আসছে বললে করুনা করে অাইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সে ফাকেঁ করোনা ভাইরাস নিয়ে অাসার জন্য গাড়ীর ষ্টাফ সেজে নিত্যদিন যাচ্ছে তরমুজ ব্যবসায়ী, কিন্তু তরমুজ আনতেছে শুধু এতদূর থেকে যা না খেলে আমরা কি বাচঁব না তাই পুরোপুরি তরমুজের গাড়ী বন্ধ করে দেয়ায় দরকার, এ বছর তরমুজ আমরা না খেলে কি এত বেশী ক্ষতি হবে, যেখানে টেকনাফের শতকরা ৮০ ভাগ জনগনের ব্যবসা পান, সুপারি, আম যা পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়েছে, তরমুজ কেন আনা বন্ধ করা হবেনা টেকনাফবাসীর মনে প্রশ্ন ?

জানি প্রশাসন কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে একাধারে তাই ক্লান্ত, তাই তাদের ফাকীঁ দিয়ে মাঝেমধ্যে আসে কিন্তু যখন নিয়মিত আসে তখন প্রশ্ন জাগে? যারা আনে তরমুজ টাকা দিয়ে আনে যখন বলে এবং তাও নিয়মিত হয়ে দাড়াঁয়।

প্রশ্ন জাগে! তাই টেকনাফ উপজেলা প্রশাসন হতে শুরু করে সকল প্রশাসনের দৃষ্টি আর্কষণ ও সুদৃষ্টি কামনা করি করোনা ভাইরাস আক্রান্ত কমাতে মহাপ্রচেষ্টাকে সামান্য তরমুজের জন্য বিসর্জিত না হয়, তার জন্য পুরো টেকনাফ না জেলাপ্রশাসক

মহোদয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষন করি কক্সবাজার জেলার পান,সুপারি, লবন ব্যবসায়ীদের উনি যে সক্ষমতা দিয়ে নিয়ন্ত্রন করতেছেন,সেভাবে যে তরমুজ না খেলে লাভ ছাড়া ক্ষতি নেই, রাতের আধারে সে তরমুজ আনাও বন্ধ করে করোনা ভাইরাসের ঝুকিঁ কমাতে ও ইয়াবা পাচার বন্ধ করতে কার্য্যাকরি ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন স্থানীয় জনসাধারন।