আজিজ উল্লাহ:শামলাপুর বাজারের বর্জ্য নিষ্কাশনে অব্যবস্থাপনার ফলে যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনায় পরিবেশ দূষিত হয়ে পড়ছে।বাজার ব্যবসায়ী ও বাসাবাড়ির নিত্যদিনের ময়লা-আবর্জনা যেখানে-সেখানে ফেলায় বাজারের পরিবশে নোংরা হচ্ছে।এ সব বর্জ্য কয়েকদিনের টানা বর্ষনে জমে থাকা ময়লা যত্রতত্র ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দুর্গন্ধেঁ বাজারের মানুষ,শিক্ষার্থী,ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ অফিসগামী মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।দীর্ঘ বছর ধরে প্রতিষ্ঠিত এ বাজারে এখনও সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি।শামলাপুর এলাকার সাধারণ মানুষের দাবি, ময়লা ফেলার ডাম্পিং গ্রাউন্ড (ময়লা ফেলার ভাগাড়) থাকলেও তা ব্যবহার না করে যত্রতত্র ময়লা ফেলার কারণে দুর্গন্ধঁ ছড়াচ্ছে।তবে,বাজারের পরিচ্ছন্নকর্মীদের দাবি তারা নির্দিষ্ট সময়েই ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করেন।
সরেজমিন দেখা গেছে, শামলাপুর বাজারস্থ সড়কে সরকারি হাসপাতাল এলাকায় অস্থায়ীভাবে ময়লার স্তূপ করে রাখছেন পরিচ্ছন্নকর্মীরা।বৃষ্টির পানিতে এ সব ময়লার স্তূপ যত্রতত্র ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে মশা-মাছি সৃষ্টি হচ্ছে।দুর্গন্ধের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না ব্যবসায়ী ও পথচারীরা। এ সব ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে না ফেলার কারণে গন্ধ আরও তীব্রভাবে ছড়িয়ে পড়ছে বাজারজুড়ে।ময়লা-আবর্জনার দুর্গন্ধের কারণে শহরের মানুষ এখন অতিষ্ঠ।হোটেল ও রেস্তোরাঁগুলোতে চা,নাশতা খাওয়ার পরিবেশ নেই। রাস্তা-ঘাটে যত্রতত্র ময়লা ও আবর্জনা ফেলায় পরিবেশ দূষিত হচ্ছে,বাজার থেকে দূরে নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা-আবর্জনা মজুদ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা অতিব জরুরি।
বিষয়টা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রথম তুলে ধরেন মোয়াস কো-অর্ডিনেটর শহিদ উল্লাহ শহীদ।
এদিকে ময়লা- আবর্জনা স্তূপ নিদিষ্ট স্থানে ফেলার আবেদন করে লিখিত আবেদন করেছে সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে স্থানীয় শিক্ষার্থী সোহেল রানা।
