টেকনাফ ভূমি অফিস ই-নামজারী চালুঃ স্বস্থিতে ভূমি সেবা প্রার্থীরা

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৭ years ago

মোঃ আশেকউল্লাহ ফারুকী : চালু হলো ই-নামজারী টাউট দালালদ্রের মাথায় বাড়ি” রাখব নিস্কন্টক জমি-বাড়ি, কবর সবাই ই-নামজারি” এ এ প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে টেকনাফ উপজেলা ভূমি অফিস তথ্য প্রযোক্তির মাধ্যমে সেবা প্রার্থীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। ভূমি একটি মূল্যবান সম্পদ। এর রক্ষনা বেক্ষণ ও ভবিষ্যৎ জটিলতা এড়ানোর স্বার্থে ভূমি মালিকদের কর্তব্য এবং মালিকানা অর্জনের সাথে সাথেই মিউটেশান (নামজারির) মাধ্যমে নিজের অংশের স্বত্বলিপি খতিয়ান সুনির্দিষ্ট করা। এজন্য ভূমি প্রশাসন ভূমি মালিকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। সরকার নির্ধারিত ফি এবং প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র পূর্বক ভূমি মালিকেরা স্থানীয় উপজেলা ভূমি দপ্তর থেকে নামজারিসহ যাবতীয় সেবা প্রদানে ইতোমধ্যে চালু হয়েছে ই-নামজারী। টেকনাফে সরকারীভাবে যে ক’টি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে, তার মধ্যে টেকনাফ ভূমি দপ্তরটি অন্যতম। প্রতিদিন শত শত ভূমির মালিক সেবা নিতে আসছে, এ প্রতিষ্ঠানে। অতীতে এ দপ্তর সমূহে যত বদনাম থাকলেও বর্তমানে সে বদনাম তেমন একটা শুনা যাচ্ছেনা। এ দপ্তরটি আধুনিকতার ছোয়া এবং ডিজিটিলাইট, দালালমুক্ত হওয়া। এ দপ্তর থেকে সেবা প্রার্থীরা তড়িৎ সেবা পাচ্ছে। টেকনাফ ভূমি দপ্তরে অতীতে যতজন কর্মকর্তা কর্মরত ছিলেন, তার মধ্যে বর্তমানে কর্মরত সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রনয় চাকমা অন্যতম। কেননা তিনি এ দপ্তরে যোগাদান করার পর থেকে এ দপ্তরকে দুর্নীতিমুক্ত, দালাল মুক্ত এবং সাধারণ সেবা প্রার্থীরা যাতে হয়রানী না হতে তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সুতারাং তার সাথে কারো তুলনা করা যাবেনা। এ ভাষ্য অবশ্যই সেবা প্রার্থীদের। যদিও এ জনগুরুত্ব পূর্ণ এ দপ্তরটি জনগণের দুরগোড়ায় পৌছে দিতে তথ্য প্রযৌক্তির আওতায় ডিজিটিলাইট হলেও অর্থাভাবে ভূমি দপ্তর ভবন সমূহে আধুনিকতার ছোয়া লাগছেনা। যার প্রেক্ষিতে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা জরাজীর্ণ ভবনেই সেবা দিয়ে যাচ্ছে। এদিকে ২০১৮ সালের ১৪ আগষ্ট ভূমি সেবা প্রার্থীদের জন্য একটা রকস” চালু হয়েছে। এটি উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন এবং বাস্তবায়নে সহকর্মী কমিশনার (ভূমি) প্রণয় চাকমা। এর মাধ্যমে উম্মোক্ত হলো টেকনাফ বাতায়ন। ভূমি সেবা প্রার্থীরা তথ্য ও সেবা কেন্দ্রে গিয়ে দায়িত্বে নিয়োজিত কর্তার কাছে সেবা নিচ্ছে। অপরাধ বিশেষজ্ঞদের মতে পৃথিবীতে মানুষ খুন হয়, দুইটি বস্তু নিয়ে। একটি হচ্ছে ভূমি এবং অপরটি হচ্ছে নারী। তৎমধ্যে ভূমি সবার অগ্রে। মানুষ প্রাণের চেয়ে মাল সম্পদ ও ভূমিকে বেশী ভালবাসে। এ ভালবাসা মানবজাতীর সহজাত প্রবৃত্তির ব্যাপার। ভূমি হচ্ছে একটি চীরস্থায়ী সম্পদ এবং এ সম্পদ একজনের হাতে মুটোই থাকেনা। ঘটনাক্রমে পালা বদলে অনজনের হাতে চলে যায়। যাহা চলমান প্রক্রিয়া। ভূমির নিয়ন্ত্রনকারী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে, সরকারী ভূমি দপ্তর। সম্প্রতি টেকনাফ উপজেলা ভূমি দপ্তরে প্রয়োজনে এ প্রতিবেদক গেলে অতীতের সকল দৃষ্টিভঙ্গি ও কাজ ম্লান হয়ে যায়। জানা যায়, এ সরকারের আমলে সারা দেশের ন্যায় কক্সবাজার জেলায় ভূমি তথ্য ও সেবা ডিজিটালাইট এর মাধ্যমে জনগণের দুরগোড়ায় পৌছে দেয়ার উদ্দেশ্যে টেকনাফ উপজেলা ভূমি দপ্তরটি অন্যতম। অতীতে যতজন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ দপ্তরে কর্মরত ছিলেন, বর্তমান সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রনয় চাকমা অন্যতম। কেননা তিনি এ দপ্তরে যোগদান করার পর থেকে আজ পর্যন্ত সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন। যাহা এ দপ্তরে আসা সেবা প্রার্থীদের ভাষ্য।