গিয়াস উদ্দিন ভুলু, টেকনাফ :
বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে দুর্নীতি মামলার রায়ে ৫ বছরের সাজা ও কারাবন্দী করার কেন্দ্রীয় কর্মসুচীর ঘোষনা অনুযায়ী কোন ধরনের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত হয়নি। এবং টেকনাফ উপজেলা ও পৌরসভার পদবী ওয়ালা কোন নেতাকে দেখা যায়নি। এতে সাধারন কর্মীদের মাঝে দেখা দিয়েছে চরম হতাশা।
এদিকে খবর নিয়ে জানা যায় হ্নীলা বাস ষ্টেশন থেকে হঠাৎ করে টেকনাফ উপজেলা ছাত্রদলের ১০/১৫ জনের একটি গ্রুপ হঠাৎ করে একটি ঝীটিকা মিছিল বের করে। কিন্তু তারা প্রশাসনের ভয়ে অল্প কয়েক মিনিটের মধ্যে তাদের কর্মসুচী থেকে সটকে পড়ে।
সুত্রে জানা যায়, ৯ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিকাল ৩ টারদিকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন ও সাধারন সম্পাদক নুরুল হুদার নেতৃত্বে হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভী বাজার এলাকায় এ ঝটিকা মিছিলটি বের করা হয়। মিছিলে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে স্লোগান দেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এতে ছাত্রলদের সভাপতি সংক্ষিপ্ত আকারে বক্তব্য দিয়ে কর্মসুচি শেষ করেন।
প্রসঙ্গত, দুর্নীতির মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের রায়ের প্রতিবাদে সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচীর ঘোষনা দেনন। এছাড়া শনিবার প্রতিবাদ সমাবেশের কর্মসূচী রয়েছে।
বিভিন্ন সুত্রে খবর নিয়ে জানা যায় টেকনাফ বিএনপি বড় বড় পদবী ওয়ালা নেতারা গা ডাকা দিয়েছে। কিন্তু তাদের ফেইস বুকের গরম হাওয়া,ও হুশিয়ারী অব্যাহত আছে!!
এদিকে গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড প্রদানের দিন থেকে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের রাজপথে দেখা মেলেনি। এতে বিএনপি ঘরণা সাধারণ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। অনেক নেতা কর্মী ও সমর্থকরা তাদের ক্ষোভের কথা জানিয়ে বলেন, দলের নেত্রীকে জেলে পাঠিয়ে নেতা কর্মীরা আরাম আয়েশে রয়েছেন। ‘টেকনাফে কি কোন বিএনপি নেই’ এমন প্রশ্নও করেন অনেকে।
শুক্রবার বিএনপি সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচী পালনের ডাক দিলেও ছাত্রদলের ১০/১৫ জনের ছোট্ একটি ঝটিকা মিছিল ছাড়া টেকনাফে আর কোথাও বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচী পালনের খবর পাওয়া যায়নি।
এব্যাপারে টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মাঈন উদ্দিন খান জানান, টেকনাফে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ও সহিংস ঘটনা ঘটেনি। যে কোন সহিংসতা রোধে পুলিশ তৎপর ছিল এবং থাকবে।
