আজিজ উল্লাহ : টেকনাফের বাহারছড়া উত্তর শিলখালী বন্য হাতির তান্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার কয়েকটি সুপারি বাগানের মালিক।রাত হলে বন্য হাতি বাহারছড়ার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ের একপাশ থেকে বের হয়ে বিভিন্ন লোকের বসতভিটায় তান্ডব চালিয়ে ভোর হলে আবার পাহাড়ে চলে যায়। এতে সাধারণ মানুষের চলাচলে হাতির আতংক বয়ে বেড়াতে হচ্ছে। পাহাড়ের বেশ কিছু দূরে লোকালয়ের সাধারণ মানুষের সুপারি বাগান শুঁড় দিয়ে ভেঙে ফেলে, কলা গাছ খেয়ে চুরমার করে। এসব বাগানের গাছপালা ভাঙার পিছনে স্থানীয় তরুণরা হাতির পিছু নিয়ে ঢিল ছুঁড়লে ক্ষেপে গিয়ে আরো ব্যাপক তান্ডব চালায়।
জানা যায়, মঙ্গলবার( ৬ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে বাহারছড়ার উত্তর শিলখালী নাজু আহমেদের মেয়ে আনোয়ারা বেগম ও পাশ্ববর্তী হা.শফিউল্লাহ’র শফিউল্লাহর বসতভিটার সুপারি বাগানে সারারাত তান্ডব চালি বেশ কয়েকটি সুপারি গাছ ভেঙে ফেলে এবং উপড়ে ফেলে বন্য হাতি।
ক্ষয়ক্ষতির শিকার রুপিয়া খাতুন বলেন,রাতে হাতি আসলে আশেপাশের কয়েকজন তরুণ হাতির চোখে লাইট মেরে হাতির দিকে ইট, হান্টা ও ঢিল ছুৃঁড়ে মারলে হাতি আরো ক্ষেপে গিয়ে সামনে যেটা পায় সেটা উপড়ে ফেলে মুহুর্মুহু ঢিলে ছুড়লে আরো ব্যাপক আক্রমণ করে হাতি ক্ষেপে গিয়ে ভাঙচুর শুরু করে।
এদিকে স্থানীয়রা জানায়,প্রায় প্রতিদিন বাহারছড়ার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ে খাদ্য সংকটের কারণে খাবারের খোঁজে বন্য হাতির দল তাণ্ডব চালায়।এছাড়া লোকালয়ে হাতির আগমনে অতিষ্ঠ পাহাড়ি পাদদেশে বসবাসরত জনতা। রাতে ভয়ভীতি নিয়ে মানুষের চলা করতে হয়।
কক্সবাজার দক্ষিণ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা( ডিএফও) সারওয়ার আলম বলেন,” বন্য হাতির আবাসস্থল মানুষ দখল করে নিয়েছে এই জন্য হাতি মানুষের দ্বন্দ্ব। তবু হাতি বন্য থেকে খাদ্যের সন্ধানে নামলে উত্তেজিত না করে স্থানীয় বন বিভাগের সহায়তা নিয়ে পাহাড়ে ফেরার ব্যবস্থা করতে তাদের সাথে যোগাযোগ করতে বলা হয় এবং চলাচলে সতর্কতা অবলম্বন করতেও অনুরোধ করেন এই সিনিয়র বন কর্মকর্তা।”
