মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী, টেকনাফ :
টেকনাফ পর্যটন ও পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্রে যত্রতত্র স্থানে গড়ে উঠেছে, ওয়েল্ডিং কারখানা। প্রশাসনের নজরদারী এবং নীতিমালার অভাবে এসব ওয়েল্ডিং কারখানা বাণিজ্যিক এলাকায় গড়ে উঠায় পৌর শহরের শ্রীহানি ঘটছে। ওয়েল্ডিং কারখানাগুলোতে ঝালাইকালে বিকট শব্দ ছড়িয়ে পরিবেশের ভারসাম্য হারাতে বসেছে। শব্দ দুষণের পাশাপাশি জনস্বাস্থের জন্য মারাতœক ক্ষতিকর বলে ডাক্তারেরা জানায়। এছাড়া কারখানার ঝালাইকালে আলোক ঝিলিকের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে পথচারী ও পাশ্ববর্তী ব্যবসায়ীরা। এ কারণে পরিবেশের উপর পড়ছে মারাতœক বিরূপ প্রভাব। টেকনাফ পৌর শহরের ষ্টেশানের মাছ বাজার হোটেল স্কাইভিউ প্রধান সড়ক ও লামার বাজার ব্রীজের পাশ্বে ও টেকনাফ শামলাপুর সড়কের উভয় পাশ্বে ওয়েল্ডিং কারখানা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। বিশেষ করে ষ্টেশানের মাছ বাজার ও হোটেল স্কাইভিউর পাশ্বে ওয়েল্ডিং কারখানায় দিবানিশি ঝালাইকালে হঠাৎ বিকট শব্দের কারণে ভূমি ও ভবন কাপতে থাকে এবং পথচারীরা ভয়ে দিকবেদিক ছুটতে থাকে। এসব লাইন্সেবিহীন প্রতিষ্ঠান উম্মোক্ত স্থানে ও জনসম্মুখে দিবারাত্রে চলছে বাণিজ্যিকভাবে। প্রশাসনের নজরদারী এবং ভ্রাম্যমান আদালত কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়ায় ঔসব পরিবেশ বিরোধী প্রতিষ্ঠানের দৌরাতœা বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিয়মানুযায়ী এসব প্রতিষ্ঠান লোকালয়ের বাইরে এবং নদীর পাশ্বে থাকার কথা থাকলেও কেন? উম্মোক্তস্থানে ও জনসম্মুখে থাকে, তাই এ নিয়ে সচেতন ও সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে। বাজারে বা ষ্টেশানে এসব পরিবেশ বিরোধী প্রতিষ্ঠান অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার জন্য প্রশাসনের হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন জনসাধারন।
