গিয়াস উদ্দিন ভুলু, টেকনাফ :
সীমান্ত নগরী টেকনাফ মডেল থানায় বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর চৌকশ এবং দক্ষ অফিসার ইনচার্জ ওসি রনজিৎ কুমার বড়ুয়ার যোগদান। গতকাল ২৫ ফেব্রুয়ারী তিনি অত্র থানার দায়িত্ববার গ্রহন করেন।
এদিকে ওসি রনজিৎ বড়ুয়ার আগমনের খবর টেকনাফ উপজেলার চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে সাধারন মানুষের মাঝে বিরাজ করছে আনন্দ। কিন্তু সীমান্ত নগরী টেকনাফ সীমান্ত জনপদের চিহ্নিত ইয়াবা কারবারী ও সন্ত্রাসীদের মাঝে আতংক দেখা দিয়েছে।
বিভিন্ন সুত্রে তথ্য নিয়ে জানা যায়, ইয়াবা পাচারের মুলহোতারা আড়ালে চলে যাওয়ার রাস্তা খুঁজছে। কারন ওসি রনজিৎ মাদক পাচারকারী ও সন্ত্রাসীদের আতংক। তিনি একজন চৌকষ পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি এর আগেও টেকনাফ উপজেলার মাদক পাচার ও বিভিন্ন অপরাধ কর্মকান্ড নির্মুল করতে কঠোর ভুমিকা পালন করেছেন। সেই দক্ষতা সম্পন্ন অফিসার টেকনাফ মডেল থানায় (ওসি) হিসেবে ফের যোগদান করায় সর্ব মহল থেকে আন্তরিক অভিবাদন জানানো হচ্ছে। ফেইস বুক খুললেই বয়ে যাচ্ছে ওসি রনজিৎ বড়ুয়ার অভিনন্দনের জোয়ার।
সীমান্ত জনপদ টেকনাফ উপজেলার সাধারন ও সচেতন মানুষরা মনে করেন, অত্র এলাকার মাদক কারবারীদের নির্মুল করতে তিনি নিজের কর্ম দক্ষতা এবং যোগ্যতা দিয়ে টেকনাফের নানা প্রকার অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবেন। এই সীমান্ত নগরী টেকনাফে মাদক এবং মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে তিনিই সর্ব প্রথম অভিযান শুরু করেছিলেন৷
বর্তমানে এই উপজেলায় মাদক পাচার ও কারবারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার বেড়ে গেছে। সীমান্ত জনপদের মানুষ আশা করছে এবারে মাদক পাচারকারীদের নির্মূল এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের মাধ্যমে তিনি রেকর্ড সৃষ্টি করবেন ৷
এর আগে রনজিত বড়ুয়া কক্সবাজার সদর মডেল থানায় দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি চট্রগ্রাম,টেকনাফ, মহেশখালী, চকরিয়াসহ অপরাধীদের আস্তানা হিসাবে খ্যাত বেশ কয়েকটি ঝুঁকিপুর্ন থানায় দক্ষতা ও সাহসিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তার কাজের সফলতা হিসাবে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী স্বীকৃতি স্বরূপ পুলিশ বিভাগ থেকে বিভিন্ন পুরষ্কার লাভ করেন।
ব্যক্তিজীবনে দুই সন্তানের জনক রনজিত বড়ুয়া দক্ষ অফিসার হিসাবে শান্তি রক্ষা মিশনেও দায়িত্ব পালন করে ছিলেন।
