মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী : টেকনাফ উপজেলা স্থানীয় সরকার অধিদপ্তর (এলজিইডি) প্রকৌশল দপ্তর একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানের অধীনে প্রতি অর্থ বছরে কোটি কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। জনবল সংকটের কারণে এ জনগুরুত্বপূর্ণ দপ্তর এবং গ্রামীণ অবকাঠামো বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ও অগ্রগতি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। প্রকৌশল দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ দপ্তরে মোট ধার্য্যকৃত পদ ১৯টি। তৎমধ্যে কর্মরত আছে মাত্র ৫ জন। ১৪টি পদ দীর্ঘদিন যাবৎ শূন্য রয়েছে। যেখানে ৫ জন সহকারী প্রকৌশলী থাকার কথা, সেখানে কর্মরত আছে মাত্র ১জন। তাও তিনি অসুস্থ। কর্মরত এ ৫ জন জনবল নিয়ে পুরো উপজেলার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলেও এর স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। টেকনাফ একটি সীমান্ত পর্যটন উপজেলা ও শিক্ষা সংস্কৃতির দিক থেকে একটি পিছিয়ে পড়া জনপদ। সরকার প্রতিবছর এ উপজেলা থেকে আশাতীত রাজস্ত পাচ্ছে। প্রতি বছর শীত মওসূমে দেশি বিদেশী আগমন ঘটে পর্যটক ও উচ্চ পর্যায়ে ভিআইপিদের আগম ঘটে। উন্নয়ন প্রকল্প সমূহ ধীরগতি এবং অগ্রগতি ছাড়াই বাস্তবায়িত হচ্ছে। যার কারণে উন্নয়ন প্রকল্প সমূহ ভেস্তে যেতে বসেছে। প্রকল্পের তদারকী এবং সংশ্লিষ্ট কর্তা ও প্রতিনিধির পরিদর্শান ছাড়াই প্রকল্প সমূহ বাস্তবায়িত হচ্ছে।
সূত্র জানায় টেকনাফ পৌর শহরের কায়ুকখালী উপর ব্রীজটি গত দশ বছর যাবৎ অগ্রগতির আলোর মূখ দেখছেনা। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে ৪ কোটি টাকা ব্যায়ে কায়ুকখালী খালের উপর ব্রীজের ঠিকাদারী প্রতষ্ঠানের মালিক মোঃ আছাদ। নির্মিত ব্রীজের ছাদঢালাই হলেও বাকি প্রকল্পের কাজ অগ্রগতি নেই। ঠিকাদারকে প্রকৌশল দপ্তর বারং বার তাগাদা দিলেও অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত না করেই সাড়া দিচ্ছেনা। প্রকৌশলী চৌধুরী মোহাম্মদ আসিফ রেজা বলেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি। বিগত দশ বছর যাবৎ কায়ুকখালী খালের ব্রীজটি এভাবে ঝুলন্তাবস্থায় রয়েছে। সচেতন পৌরবাসীরা বলেন, কায়ুকখালীখালের উপর বিকল্প ব্রীজটি নির্মাণে ধীরগতি, কালক্ষেপন ও ঠিকাদারের অবহেলার কারণে পৌর শহরে ঝনজাট মুক্ত হচ্ছেনা। কায়ুকখালী খালের ব্রীজ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদার মোঃ আসাদ এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ব্রীজের স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি জায়গা সংক্রান্ত বিরোধ আছে মর্মে নির্মাণ কাজে বাধা সৃষ্টি করছে।
