টেকনাফে ৬৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালু হচ্ছে

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৬ years ago

জসিম উদ্দিন টিপু : টেকনাফে সরকারী-বেসরকারী ৬৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে “মিড ডে মিল” প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের দুপুরের খাবার দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সমুহে এই প্রকল্পের কার্য্যক্রম চালু করতে ইতিমধ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়।

সুত্র জানায়,বিশ^ খাদ্য সংস্থার অর্থায়নে এনজিও সংস্থা কোডেকের সহযোগিতায় স্কুলে মিড ডে মিল প্রকল্পটি উপজেলার ৬২টি সরকারী এবং ৬টি বেসরকারীসহ ৬৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মিড ডে মিলের আওতায় আসছে বলে জানাগেছে। আগামী ১মার্চ থেকে এসব স্কুলের প্রায় ২৪ হাজার ছাত্র-ছাত্রীকে দুপুরের খাবার দেওয়া হবে। উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহে মিড ডে মিল চালু করতে স্কুলে স্কুলে রান্নাঘর তৈরী এবং বাবুর্চি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এদিকে সীমান্ত উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের বিস্কুটের পরিবর্তে দুপুরে খাবার দেওয়ার খবরে অভিভাবকসহ ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে খুশী দেখা দিয়েছে। অভিভাবকরা বলছেন, মিড ডে মিল চালু হলে স্কুলে উপস্থিতির হার আরো বাড়ার পাশাপাশি ঝরে পড়া রোধ হবে।

হ্নীলা আদর্শ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহজাহান বলেন,সরকারের আন্তরিকতায় এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে স্কুলে উপস্থিতির হার বাড়বে, শিশুদের পুষ্টিহীনতা দূর হবে, অসহায়-গরীব শিশুরা স্কুলমুখী হবেন বলে অভিমত ব্যক্ত করেন।

হ্নীলা বার্মিজ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি বোসে রাখাইন জানান, অনেক সময় শিক্ষার্থীরা দুপুরের খাবার খেতে গিয়ে বিদ্যালয়ে ফিরে আসেনা। এর ফলে শিক্ষার্থীদের স্কুল ফাঁকি বন্ধ হবে।

প্রকল্প সমন্বয়কারী আবু নাসের মোঃ ওয়াহিদ জানান, স্কুলে মিড ডে চালু করতে যাবতীয় প্রস্তুতি চলছে। মার্চ মাসের শুরুতে টেকনাফের ৬৮টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৪হাজার ছাত্র-ছাত্রীদের ৫দিন খিচুড়ি ও ১দিন পুষ্টিমান বিস্কুট দেওয়া হবে।

উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার আশীষ বোস জানান, মিড ডে মিল চালু হলে ছাত্র-ছাত্রীদের দুপুরের খাবারের চিন্তা থাকবেনা। লেখাপড়ায় তারা মনোযোগী হবে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের পুষ্টির অভাব দূর হবে। ঝরে পড়ার হারও কমবে বলে তিনি মনে করেন। জানাতে চাইলে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম সাইফ বলেন,মিড ডে মিল প্রকল্পের মাধ্যমে শিশুদের পুষ্টির চাহিদা মেটানো সম্ভব। পাশাপাশি স্কুলে ঝরে পড়া রোধে কাজ করবে।#