মুহিবুল্লাহ মুহিব : টেকনাফে র্যাব সদস্যরা অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসের,মাদক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ,অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের অন্যতম জনপদে অভিযান চালিয়ে তালিকাভূক্ত ৪ জন মাদক কারবারী এবং সন্ত্রাসীকে ৮ লাখ ইয়াবা ও ৬টি অস্ত্রসহ আটক করা হয়েছে। সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট চক্রের লোকজন আটকের খবরে জনমনে স্বস্থি দেখা দিলেও ফেরারী হয়ে থাকা অপর অপরাধীদের দ্রæত আইনের আওতায় আনার দাবী উঠেছে।
সুত্র জানায়, ১৩ডিসেম্বর (শুক্রবার) ভোরে র্যাব-৭ এর একটি চৌকষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার হ্নীলা ইউপির রঙ্গীখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের তালিকাভূক্ত ইয়াবা কারবারী ইয়ার মোহাম্মদের পুত্র নুর হাফেজ, দলিলুর রহমানের পুত্র ছৈয়দ আলম প্রকাশ কালু, ছৈয়দ হোসেনের পুত্র ছৈয়দ নুর, সব্বির আহমদের পুত্র মোহাম্মদ সোহেলকে আটক করা হয়। পরে আটককৃতদের স্বীকারোক্তিতে তল্লাশী চালিয়ে ৮ লাখ ১০হাজার ইয়াবা, ৬টি অস্ত্র ও ৭০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-৭ চট্টগ্রামের অপারেশন অফিসার এএসপি মাশেকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরো জানান,দীর্ঘদিন ধরে তাদের কার্যক্রমের উপর নজর রাখার পর শুক্রবার ভোররাতে তাদের এসব অস্ত্র ও ইয়াবাসহ আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে থানায় সোর্পদ করার প্রস্তুতি চলছে।
উল্লেখ্য,টেকনাফ উপজেলার কতিপয় জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিয়ে এসব চিহ্নিত অপরাধীদের নানাভাবে লালন-পালন করে আসছে। প্রশাসনের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য কথিত মিডিয়া কর্মী, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, প্রভাবশালীদের সমন্বয়ে বিশেষ সিন্ডিকেট সক্রিয় এবং পাহাড়ি আস্তানায় থাকার কারণে বার বার ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রয়ে যায়। এসব সিন্ডিকেটের বাইরে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ কথা বলার চেষ্টা করলে তাদের কৌশলে খুন করার জন্য পরিকল্পনা নিয়ে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে রাখা হতো বলে একাধিক সুত্র দাবী করেছে। ##
