হুমায়ূন রশিদ / আজি উল্লাহ : সারাদেশের ন্যায় দলীয় প্রতীকে ৫ম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৩য়ধাপে টেকনাফ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নারী-পুরুষ ভোটারদের সরব উপস্থিতিতে ভোট গ্রহণ চলছে। নির্বাচন কঠোর নিরাপত্তা, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠানে প্রশাসনের কঠোর হুশিয়ারীর কারণে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
২৪ মার্চ সকাল ৮টা হতে উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ৬টি ইউনিয়নের ৫৫টি ভোট কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ চলছে। টেকনাফে ১লাখ ৪৫ হাজার ৮শ ৮জন ভোটারের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা ভোটারদের ভোটে উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবে। সকাল হতে উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে নারী-পুরুষ ভোটারদের সরব উপস্থিতি বাড়ছে।
এদিকে নির্বাচনে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সার্বক্ষণিক ৩টি ভ্রাম্যমান আদালত, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ১৩টি টিম, ৫টি স্ট্রাইকিং ফোর্স, ৬প্লাটুন বিজিবি ও পর্যাপ্ত পরিমাণ অনসার সদস্য ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছে।
এই নির্বাচন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ, সাবেক এমপি আব্দুর রহমান বদি, সাবেক সাংসদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী এবং অপরদিকে উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আহমদ ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নুরুল আলমের প্রেস্ট্রিজ রক্ষার ইস্যু হয়ে দাড়িয়েছে। হেভিওয়েট ৩ প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দিতা আঞ্চলিকতার মর্যাদা রক্ষার লড়াই রূপ নিয়েছে। সার্বিক প্রচারনায় নৌকা প্রতীক এগিয়ে থাকলেও দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি ছুঁড়ে দেওয়া চ্যালেঞ্জ বাস্তবায়নকারী চক্র বিশেষ মিশন এবং টাকার খেলায় পছন্দের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে মাঠে তৎপর রয়েছে।
ভোট গ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণার পরই জানা যাবে আজকের টেকনাফ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ের শেষ হাসি কারা কারা হাসছে। মাদক দমনে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির প্রেক্ষিতে মাদক সংশ্লিষ্টদের বয়কটের দাবী উঠছে। সচেতন মহলের ধারণা জনগণই ভোটের মাধ্যমে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করবে।
