হুমায়ূন রশিদ : টেকনাফে শরণার্থী ক্যাম্পে রোহিঙ্গা দূবৃর্ত্ত গ্রæপের মধ্যে গোলাগুলি এবং র্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় ৮ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে এবং অপর একজন নিহত হয়েছে। এসময় অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
৪ ফেব্রæয়ারী (মঙ্গলবার) রাতের প্রথম প্রহর ১টারদিকে র্যাব-১৫ এর একটি চৌকষ আভিযানিক দল ২৬নং রোহিঙ্গা ক্যাম্প শালবাগান এলাকায় জকির ডাকাত গ্রæপ বিরোধী অভিযানে গেলে ৬/৭জন স্বশস্ত্র ডাকাত র্যাবকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করলে র্যাবের সদস্য এএসআই মোঃ ফিরোজ আলম, কনস্টেবল জিয়া উদ্দিন ও মোঃ নাঈম আহত হয়।
তখন র্যাব সদস্যরা আতœরক্ষার্থে পাল্টা গুলিবর্ষণ করলে স্বশস্ত্র দূবৃর্ত্তরা পাহাড়ের দিকে পালিয়ে যায়। এরপর ঘটনাস্থল তল্লাশী করে ১টি থ্রি কোয়ার্টার গান, ১টি ওয়ান শুটার গান এবং ৪টি তাঁজা বুলেটসহ গুলিবিদ্ধ অবস্থায় শালবাগান ক্যাম্পের ডি-১ বøকের মৃত মোঃ শফির পুত্র মোঃ ইলিয়াছ (৪০)কে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গুলিবিদ্ধ ডাকাত সদস্য ইলিয়াছ মারা যায়।
এদিকে গত ৩ ফেব্রæয়ারী (সোমবার) রাত সাড়ে ৮টারদিকে নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পের ডি-বøক হতে রোহিঙ্গা স্বশস্ত্র ডাকাত সালমান শাহ গ্রæপের মধ্যে সালমান শাহ এবং খাইরুলের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গোলাগুলির সুত্রপাত হয়। থেমে থেমে পৌনে ঘন্টাব্যাপী গুলিবর্ষণের ঘটনায় সি-বøকের এমআরিস নং-৩৭৬৯৮, শেড নং-৮২৬/৫ এর বাসিন্দা বশির আহমদ, এমআরিস নং-২৫৬২০, শেড নং-৮৬৬/৩ এর বাসিন্দা মোঃ জুবায়ের, এমআরিস নং-২১১১২/এ, শেড নং-৮৩০/৫ এর বাসিন্দা মোঃ হোসাইন, এমআরিস নং-৩৫৬৫৫, শেড নং-৮৯৪/২ এর বাসিন্দা মোঃ ফারুক, এমআরিস নং-৬৩২৯৮, শেড নং-৮৯১/২ এর বাসিন্দা মোঃ সোহাগ, শেড নং-৮৫৯/২ এর বাসিন্দা মোঃ সোহেল, এমআরিস নং-০০২২৭, শেড নং-৮১০/৪ এর বাসিন্দা মোঃ করিম, এমআরিস নং-৬৩২৯৮, শেড নং-৮৮৫/৬ এর বাসিন্দা মোঃ শহিদসহ ১৬জন আহত হয়। আহতদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ ৮জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
এই বিষয়ে নয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির আইসি মনিরুল ইসলাম রোহিঙ্গা ক্যাম্পের দু’পক্ষের গোলাগুলিতে আহতের সত্যতা স্বীকার করে বলেন,এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ ৮জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজারে রেফার করা হয়েছে।
এদিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাশর্^বর্তী পাহাড়ে ডাকাত জকির, ছৈয়দ হোছন ওরফে পুতিয়া, সালমান শাহ, খাইরুল আমিন, নুর কালাম ওরফে সোনা মিয়া, রজক, ওসমান, শফি আলম, লালু, নুরুল ইসলাম ওরফে নুর সালামের নেতৃত্বে স্বশস্ত্র ডাকাত গ্রæপ অবস্থান করছে। তারা সময় সুযোগে ক্যাম্পে এসে নানা অপতৎপরতা চালিয়ে আইন-শৃংখলার অবনতি করে আসছে। তাদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবী উঠেছে। ###
