সাদ্দাম হোসাইন / ফরিদুল আলম : টেকনাফ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (বিশেষ জোন) ও কোস্টগার্ড সদস্যরা পৃথক অভিযান চালিয়ে ইয়াবা, বিদেশী বিয়ার ও হুইস্কিসহ মিয়ানমার হতে মাদকদ্রব্য বাংলাদেশে পাচারকারী চক্রের ৩জন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনায় আরো ১জনকে পলাতক আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সুত্র জানায়, ৯ফেব্রæয়ারী রাতের প্রথম প্রহর হতে দুপুর ২টা পর্যন্ত টেকনাফ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বিশেষ জোনের বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টেকনাফ ডেইল পাড়ায় মিয়ানমার হতে বাংলাদেশে মাদক পাচারকারী সিন্ডিকেটের নদন্য মোঃ করিমের পৈত্রিক নিবাস এবং জনৈক নুর মোহাম্মদের বাড়িতে পৃথক অভিযান চালিয়ে ২৪২ক্যান বিদেশী বিয়ার ও ৩২ বোতল হুইস্কিসহ মোহাম্মদ করিমের(৩৩) কে আটক করে। এই ঘটনায় নুর মোহাম্মদের (৪২) কে পলাতক আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
টেকনাফ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বিশেষ জোনের সহকারী পরিচালক সিরাজুল মোস্তফা জানান, পৃথক অভিযানে বিয়ার ও হুইস্কিসহ ১জনকে আটক এবং অপরজনকে পলাতক আসামী করে মামলা দায়েরের পর আটক ব্যক্তিকে জব্দকৃত মাদকসহ টেকনাফ মডেল থানায় সোর্পদ করা হয়েছে। এই সিন্ডিকেটের অন্যান্য সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
অপরদিকে সকাল পৌনে ৯টারদিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ-পূর্ব জোনের বিসিজি ষ্টেশন টেকনাফের একটি আভিযানিক দল শাহপরীর দক্ষিণপাড়া হতে আনুমানিক ৩.৮ নটিক্যাল মাইল দক্ষিনে মায়ানমার সীমানা হতে সন্দেহজনক একটি ইঞ্জিনচালিত মাছ ধরার বোট বাংলাদেশ সীমানায় আসতে দেখে। বোটটির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে কোস্টগার্ড সদস্যরা বোটটিকে থামার সংকেত দেয়। কোস্টগার্ডের উপস্থিতি বুঝতে পেরে বোটটি দ্রæত মায়ানমার সীমানায় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে ঢেউয়ের মুখে পড়ে বোটে থাকা দীর্ঘদিন ধরে সেন্টমার্টিন বাজার পাড়ায় বসবাস করা রোহিঙ্গা মৃত কালা মিয়ার পুত্র আহমদ হোসেন (৫৭) এবং সেন্টমার্টিন পূর্বপাড়ার মকবুল আহমদের পুত্র মোহাম্মদ শফি (৩৮) কে একটি বস্তাসহ গ্রেফতার করে। পরে বস্তাটি তল্লাশী চালিয়ে ৩০হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করতে সক্ষম হয়।
বাংলাদেশ দক্ষিণ-পূর্ব জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেঃ কমান্ডার (বিএন) আব্দুর রহমান জানান,জব্দকৃত ইয়াবা এবং আটককৃত ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। ###
