হুমায়ূন রশিদ : টেকনাফে পুলিশের মাদক উদ্ধার অভিযানে গোলাগুলির ঘটনায় তালিকাভূক্ত ইয়াবা কারবারী,এক সময়ের শীর্ষ ডাকাত, ডজন মামলার আসামী এবং সদর ইউপির ওয়ার্ড মেম্বারকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
পুলিশ জানায়, ২জুলাই রাতের প্রথম প্রহরে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের হাতে আটক সদর ইউপির ৫নং ওয়ার্ড মেম্বার,তালিকাভূক্ত ইয়াবা কারবারী,এক সময়ের শীর্ষ ডাকাত এবং ১২টি মামলার আসামী মোঃ হামিদ মেম্বারকে নিয়ে মহেশখালীয়া পাড়া নৌঘাট এলাকায় মাদক উদ্ধার অভিযানে যায়। এসময় তার সহযোগী অস্ত্রধারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করলে এসআই স্বপন চন্দ্র দাশ, এএসআই কাজী সাইফ উদ্দিন,কনস্টেবল রয়েল বডুয়া আহত হয়। তখন পুলিশ নিজের জীবন ও সরকারী সম্পত্তি রক্ষার্থে ৫০রাউন্ড গুলি বর্ষণ করলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
এরপর ঘটনাস্থল তল্লাশী করে ৪টি এলজি, ১৭রাউন্ড শর্টগানের তাজা কার্তুজ, ২১রাউন্ড কার্তুজের খোসা এবং ৬হাজার পিস ইয়াবাসহ গুলিবিদ্ধ হামিদ মেম্বার (৪৫) কে উদ্ধার করা হয়। তাকে দ্রæত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য টেকনাফ উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাহাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত পৌনে ৪টারদিকে মৃত্যুবরণ করে। তার মৃতদেহ উদ্ধার করে পোস্টমর্টেমের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য গত ১লা জুলাই বিকাল সাড়ে ৩টারদিকে এসআই সুজিত চন্দ্র দে মহেশখালীয়াপাড়া বাজার হতে টেকনাফ মহেশখালীয়া পাড়া ৫নং ওয়ার্ড ইউপি মেম্বার, তালিকাভূক্ত ইয়াবা কারবারী,এক সময়ের শীর্ষ ডাকাত এবং ডজন মামলার আসামী মৃত আবুল হাশিমের পুত্র মোঃ হামিদ প্রকাশ হামিদ মেম্বার প্রকাশ হামিদ ডাকাত (৪৫) কে আটক করে।
টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশ,উক্ত মেম্বারকে নিয়ে মাদক উদ্ধার অভিযানে গোলাগুলি, ৩জন পুলিশ আহত, ৪টি এলজি, ১৭রাউন্ড শর্টগানের তাজা কার্তুজ, ২১রাউন্ড কার্তুজের খোসা এবং ৬হাজার পিস ইয়াবাসহ গুলিবিদ্ধ হামিদ মেম্বারকে উদ্ধারের সত্যতা স্বীকার করেন। পরে হাসপাতালে সে মারা যায়। এই বিষয়ে তদন্ত স্বাপেক্ষে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
