টেকনাফ অফিস।
পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে গ্রামাঞ্চলে এখনও ভ্রান্ত ধারনা অনেকের মাঝে বিরাজ করছে। মসজিদের ইমাম, শিক্ষক, সাংবাদিক মহল চাইলে এ ভ্রান্ত ধারনা দূর করতে পারেন। ভবিষ্যতে সুন্দর বাংলাদেশ চাইলে এখন থেকে পরিবার পরিকল্পনার জন্য সমাজিক আন্দোল গড়ে তুলতে হবে। পরিবার পরিকল্পনা মানে বন্ধ্যাত্ব নয়, বরং বন্ধ্যাত ¡মহিলারা চাইলে সরকারি ভাবে চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে সন্তান জম্ম দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। বাংলাদেশে এখনো শতকরা ৬৩ ভাগ মানুষ বাড়ীতে সন্তান প্রসব করেন। যাহা অনিরাপদ। এখন মহিলা ও পুরুষদের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি বের হয়েছে। যে কেউ চাইলে স্বল্প মেয়াদী, দীর্ঘ মেয়াদী ও স্থায়ী ভাবে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহন করতে পারেন। জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ মারাত্মক হুমকীতে রয়েছে। ভবিষ্যতে এ থেকে পরিত্রাণের জন্য এখনই পরিবার পরিকল্পনা গ্রহন জরুরী। উপরোক্ত কথাগুলো বলেছেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব ও পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শেখ মোহাম্মদ শামীম ইকবাল। ১১ মার্চ শনিবার টেকনাফ উপজেলা মিলনায়তনে ‘প্রসব পরবর্তী পরিবার পরিকল্পনাসহ স্থায়ী ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিবার পরিকল্পনা সেবা জোরদার করন বিষয়ক এডভোকেসী সভা’ কক্সবাজার পরিবার পরিকল্পনা উপ-পরিচালক ডাঃ পিন্টু কান্তি ভট্টচার্যের সভাপতিত্বে ও টেকনাফ উপজেলা পঃপঃ কর্মকর্তা শ্রুতিপূর্ণ চাকমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন, ঢাকা পরিবার পরিকল্পনা ও ক্লিনিকেল কন্সট্রাকশন সাভিসেস কর্মসূচীর লাইন ডাইরেক্টর ডাঃ মঈন উদ্দিন আহমেদ, চট্টগ্রাম অঞ্চলের আর,এস,এফপি, সিএসটি, ডাঃ শেখ মোহাম্মদ রুকন উদ্দিন আহমেদ, রামু উপজেলার পঃপঃ কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন মোহাম্মদ ইউসুফ, টেকনাফ উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান তাহেরা আক্তার মিলি। সভায় বক্ত রাখেন, হোয়াইক্যং ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারী, সাবরাং হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মুফিজ উদ দৌলা, সাংবাদিক আমান উল্লাহ আমান, মহিলা মেম্বার মর্জিনা আক্তার ছিদ্দিকী।
পরিবার পরিকল্পাসহ স্থায়ী ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে বিশদ আলোচনা রাখেন আইএফপির এডিশনাল ডিজি সেক্রেটারী ডাঃ নিয়াজ উদ্দিন ও প্রোগ্রামার অফিসার নাহিদ আনজুম সিদ্দিকী।
সভায় জনপ্রতিনিধি, জিও-এনজিও, শিক্ষক, ইমাম ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
