টেকনাফে নিখোঁজ প্রাইমারী শিক্ষার্থীর মৃতদেহ ৪দিন পর নদী হতে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার

লেখক: হুমায়ুন রশিদ
প্রকাশ: ৪ years ago

সাদ্দাম হোসাইন : টেকনাফে নিখোঁজ এক প্রাইমারী স্কুল ছাত্রের মৃতদেহ নাফনদী হতে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের দাবী বাড়ির পাশ থেকে নিখোঁজের পর তার মৃতদেহ পাওয়া গেল। তবে সাধারণ মানুষের ধারণা বন্ধুদের সাথে কেওড়া ফল আনতে গিয়ে নিখোঁজের ৪দিন পর নদীতে ভাসমান অবস্থায় তার মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, গত ১৯জুলাই (মঙ্গলবার) সন্ধ্যার দিকে টেকনাফের হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মুজিবুর রহমান সর্ঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে হোয়াইক্যং বাজার সংলগ্ন নাফনদী হতে তুলাতলীর আমতলী ঘোনার পাড়ার টমটম চালক মঞ্জুর আলমের ২য়পুত্র এবং কাটাখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্র মোঃ সাকিব (১২) এর মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। রাতেই মৃতদেহ থানায় নেওয়া হয়েছে।
Teknaf Pic A 3 20 07 22 TEKNAF TODAY - সীমান্তের সর্বশেষ খবর
টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোঃ হাফিজুর রহমান জানান,মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। ২০জুলাই সকালে মৃতদেহ পোস্টমর্টেমের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হচ্ছে।

এদিকে নিখোঁজ কিশোরের পিতা মঞ্জুর আলম জানান, গত শুক্রবার বিকালে সাকিব বাড়ির পাশের দোকানে খেলা করছিল। এরপর হতে সাকিব নিখোঁজ হয়ে যায়। কারো কাছে কোন খবর না পেয়ে অবশেষে ৪দিন পর নদীতে ভাসমান লাশ পেলাম।

অপর একটি সুত্রের দাবী তারা ৫/৬জন বন্ধু মিলে নাফনদীর কেওড়া বনে কেওড়া ফল আনতে যায়। এরপর থেকে সে নিখোঁজ হয়ে যায় এবং কোন বন্ধু বিষয়টি বাড়িতে ভয়ে অবগত করেনি। সাকিব নিখোঁজের খবরের পর বাড়িতে কান্নাকাটি ও উৎকণ্ঠা শুরু হয়। বাবা মঞ্জুর আলম কক্সবাজার হতে এসে ছেলের খোঁজ করতে থাকে। গত ২/৩দিন আগে নাফনদীতে এক কিশোরের বিকৃত মরদেহ ভাসতে দেখা যায়। বাবা মঞ্জুর আলম গিয়ে ছেলের লাশ সনাক্ত করতে পারেনি। পরে সাকিবের মা গোলচম্পা ঘটনাস্থলে গিয়ে সাকিবের মৃতদেহ সনাক্ত করার পর পুলিশে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে। সাকিবের মৃতদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পরিবার, স্বজন, প্রতিবেশী, স্কুলের শিক্ষক এবং সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। ###