টেকনাফ টুডে ডেস্ক : টেকনাফের অন্যতম সন্ত্রাসী জনপদ, অবৈধ অস্ত্র তৈরীর কারখানা, মাদক চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ, অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়কারী চক্রের কেন্দ্রস্থলে পুলিশের দুঃসাহসী অবৈধ অস্ত্র এবং মাদক উদ্ধার অভিযানে ৩জন চিহ্নিত দূবৃর্ত্ত নিহত হয়েছে। এসময় ৫জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। পুলিশ এই আস্তানা হতে বিপূল পরিমাণ অস্ত্র, বুলেট, আইন-শৃংখলা বাহিনীর পোশাক ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
জানা যায়,৬মে ভোরে টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ নেতৃত্বে ও এসআই মশিউর রহমানসহ টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের বিরাট একটি দল উপজেলার হ্নীলা রঙ্গিখালী গাজী পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্র তৈরীর কারখানা,মাদক চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ,অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়কারী চক্রের কেন্দ্রস্থলে অভিযানে গেলে স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করলে পুলিশের এসআই লিয়াতক, মশিউর রহমান, এএসআই সনজিব দত্ত, মিথুন ভৌমিক ও সৈকত বড়–য়া আহত হয়। তখন পুলিশ কৌশলী অবস্থান নিয়ে শক্তি সঞ্চয়ের পর পাল্টা গুলিবর্ষণ করে হামলা চালালে স্বশস্ত্র গ্রæপের সদস্যরা পালিয়ে যায়। তখন পুলিশ অস্ত্র তৈরীর কারখানায় তল্লাশী করে ৫টি একনলা বন্দুক, ২টি থ্রি-কোয়ার্টার বন্দুক, দেশীয় অস্ত্র ১০টি, ১টি বিদেশী পিস্তল, ১১রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ৮ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, ২শ ৫রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ৭২ রাউন্ড কার্তুজের খোসা, ৩সেট বিজিবি, ১০ সেট পুলিশের পোশাক ও ৫৬ হাজার ইয়াবাসহ রঙ্গিখালী মাদ্রাসা পাড়ার মৃত আব্দুল মজিদ ওরফে ভুলাইয়্যা বইদ্যের পুত্র নুরুল আলম (৪০), ছৈয়দ আলম (৩৫) ও শব্বির আহমদের পুত্র আব্দুল মোনাফ ওরফে মইন্যার (২০) কে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে।
পরে আহত পুলিশ সদস্য এবং উদ্ধারকৃত সন্ত্রাসীদের চিকিৎসার জন্য টেকনাফ উপজেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আহত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসা দিয়ে গুলিবিদ্ধ সন্ত্রাসীদের আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করে। মৃতদেহ পোস্টমর্টেমের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ এই অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত স্বাপেক্ষে পৃথক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। ###
