টেকনাফ টুডে ডেস্ক : টেকনাফে ক্ষেতে গিয়েই দুই কোটি টাকার অধিক ইয়াবার সন্ধান পেয়েছে এক ব্যক্তি। পরে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় এই মাদকের চালান থানা পুলিশে সোর্পদ করা হলেও প্রকৃত রহস্য নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
জানা যায়, ২রা জানুয়ারী (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৭টারদিকে উপজেলার হ্নীলা পূর্ব রঙ্গিখালীর মৃত আলী হোছাইনের পুত্র ঠান্ডা মিয়া কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের রঙ্গিখালী মাদ্রাসা গেইটের দক্ষিণ পরিত্যক্ত একটি দোকান ঘেরাও করে শাক-সবজির চাষাবাদ হতে সবজি তুলতে গিয়েই মানুষের অস্বাভাবিক চলাফেরার পায়ের চিহ্ন দেখে চারদিকে দেখতে থাকে। এক পর্যায়ে ১টি মিষ্টি কুমড়া গাছের নীচে ২টি টর্চ লাইট, ১টি দা ও ১টি বস্তা দেখতে পেয়ে নিকটে গিয়ে দেখে ইয়াবা। তিনি দ্রুত স্থানীয় চেয়ারম্যানের নিকট গিয়ে বিষয়টি জানায়।
হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী তাৎক্ষণিক বিষয়টি থানা পুলিশকে অবহিত করেন এবং চৌকিদার ও লোকজন নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ২টি টর্চ লাইট, ১টি দা ও ৭ কার্ড ইয়াবা উদ্ধার করে পুলিশকে সোর্পদ করেন।
এদিকে নাফনদীর উপকূলীয় এই পয়েন্টটি মাদক ও চোরাইপণ্য খালাসের নিরাপদ জোন হিসেবে পরিচিত। এসব পয়েন্ট দিয়ে স্থানীয় মাদক কারবারীদের পাশাপাশি লেদা মৌলভী পাড়ায় আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের রাইম্যাবিলের খলিবা আবু ছিদ্দিকের পুত্র মৌলভী আনসার উল্লাহ বাহিনী বিভিন্ন কৌশলে মাদকের চালান খালাস করে থাকে। অনেকে ধারণা করছে এই আনসার উল্লাহ সিন্ডিকেট মাদকের চালান খালাস করে যানবাহনের অভাবে ভোর হওয়ায় আস্তানায় নিতে না পেরে এই ক্ষেতে লুকিয়ে রেখেছে বলে ধারণা করছে। গত বছরে ২/৩ মাস আগেও এই চক্রের ইয়াবার চালান খালাস করতে গিয়ে নাটমোরা পাড়া পয়েন্ট দিয়ে ইয়াবাসহ এক পাচারকারীকে জনতা ইয়াবাসহ আটক করে পুলিশে দিয়েছিল। তবে স্থানীয় মাদক কারবারী সিন্ডিকেটের চালান হলে যেকোন মূল্যে তাদের আয়ত্ত্বে নিয়ে যেত বলে ধারণা করছে।
মাদক বিরোধী অভিযানের মধ্যেও মাদকের চালান নিয়ে মাদক চোরাকারবারীদের অপতৎপরতায় জনমনে তীব্র আলোচনা সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে। ##
