হুমায়ুন রশিদ : টেকনাফ সীমান্তে যতই মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান জোরদার হচ্ছে ততই কৌশল পাল্টিয়ে মাদক এবং স্বর্ণ চোরাচালান অব্যাহত রয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অভিযান চালিয়ে স্থানীয় ৩জন ও ২৩জন অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গা নারী-পুরুষসহ ২৬জনকে আটক করেছে। এদেরকে এক্সরে করে ১৩ জনের পেট হতে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
জানা যায়, গত ২৯মার্চ ভোরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার হ্নীলা চৌধুরী পাড়া আব্দুস সালাম গুইট্টার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মিয়ানমার হতে অনুপ্রবেশকারী ২নারী, ৩শিশুসহ ২৩জন এবং মানব পাচারে সংশ্লিষ্ট রঙ্গিখালীর লামার পাড়ার মৃত আমির হোছনের পুত্র শব্বির আহমদ ভেক্কাইয়া, নাটমোরা পাড়ার মোঃ সালামের পুত্র মোহাম্মদ কামাল ও আব্দুস সালাম গুইট্টার পুত্র ঈমান শরীফসহ ২৬জনকে আটক করে।
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানায়, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ ও এক্সরে করে ১৩জন রোহিঙ্গার পেটে বিপূল পরিমাণ ইয়াবা পাওয়া যায়। আটককৃতরা নির্দিষ্ট চুক্তির মাধ্যমে মিয়ানমার হতে এপারে নানা কৌশলে স্বর্ণ ও মাদকের চালান নিয়ে আসছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনী প্রক্রিয়া চলছে।
উক্ত সীমান্তে রঙ্গিখালীর লামার পাড়ার মৃত আমির হোছনের পুত্র শব্বির আহমদ ভেক্কাইয়া ও চৌধুরী পাড়ার মৃত আলী হোছনের পুত্র আব্দুর রহিম ও নাটমোরা পাড়ার মোঃ সালামের পুত্র মোহাম্মদ কামালসহ একটি সিন্ডিকেট এই অপতৎপরতা চালিয়ে আসছে।
এছাড়া সীমান্ত জনপদ টেকনাফের বিভিন্ন পয়েন্টে সক্রিয় থাকা কতিপয় ঘাট দালাল ও সোর্সদের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ আতাঁতে এখনো কৌশলে স্বর্ণের বার ও মাদকের চোরাচালান হয়ে আসছে। কথিত এসব সোর্স ও দালালদের আইনের আওতায় আনা হলে সীমান্তে মাদকসহ যাবতীয় চোরাচালান শিথিল পর্যায়ে চলে আসবে বলে সচেতন মহলের ধারণা।
