টেকনাফ দক্ষিণ প্রতিনিধি ।
টেকনাফে আরো ৪ ইয়াবা ব্যবসায়ীর বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকালে টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাসের নেতৃত্বে সাবরাং ইউনিয়নের নয়াপাড়া, পুরান পাড়া ও ঝিনাপাড়া এলাকায় ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়। তবে এসময় অভিযুক্ত ইয়াবা কারবারীদের কাউকে আটকের খবর পাওয়া যায়নি। যাদের বাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়েছে তারা হচ্ছেন ঝিনাপাড়ার ইয়াবাকারবারী নুরুল আলম, নয়াপাড়ার আরেক ইয়াবা গডফাদার মোঃ হাশেম ভুলু, পুরান পাড়ার শীর্ষ কারবারী বেলাল ও মনজুর।
টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাশ জানান, এতোদিন মাদক বিরুধী অভিযানের মাঝেও অনেক ইয়াবা ব্যবসায়ী ঘাপতি মেরে ছিল। এইবার সেসব ইয়াবা ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।
জানা গেছে এইসব ইয়াবা কারবারীরা এতোদিন ঘাটে ঘাটে লোক নিয়োগ করে নিরাপদে তাদের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিল।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন এদের মধ্যে মো.হাশেম ভুলু বহু আগে থেকে নয়াপাড়া এলাকা থেকে মিয়ানমার কেন্দ্রিক চোরাকারবারী দলের অন্যতম হোতা। পরে ইয়াবা কারবার শুরু হওয়ার পর তিনি তাতে নাম লেখান এবং নীরবে বহু টাকার মালিক বনে যান। জানা গেছে পুরনো চোরাকারবারী হওয়ায় ভুলু ঘাটে ঘাটে টাকা দিয়ে সবাইকে ম্যানেজ করে ইয়াবার কারবার চালাতেন।
আরেক কারবারী বেলাল অল্পদিনে ইয়াবা কারবারের বদৌলতে কোটিপতি বনে যান। অথচ ৫-৬ বছর আগেও তিনি নয়াপাড়া বাজারে নাকি তিনি পান বিক্রি করতেন। সেখান থেকে লাল বাবার আশির্বাদে ৪টি মিনিবাস বাড়ি গাড়ী সহ বহু সম্পদের মালিক বনে যান। চট্টগ্রামের বাশঁখালী এলাকা থেকে বিয়ে করার সুবাধে মাদক বিরুধী অভিযান জোরদার হলে বেলাল বাঁশখালী ও চটগ্রাম এলাকায় আত্মগোপন করে থাকেন। আবার বাঁশখালী উপকুল থেকেও ইয়াবার চালান খালাশ করেন বলে জানিয়েছেন নির্ভরযোগ্য সূত্র। এমনকি বেলাল কক্সবাজার বাস মিনিবাস মালিক সমিতির ও নাকি নির্বাচিত সদস্য।
অভিযোগ রয়েছে বেলাল যে দ্বিতল বাড়িটা তৈরী করেছেন তাও নাকি অন্যের জমি জোরপূর্বক কেড়ে নিয়ে করেছেন।

অপর কারবারী নুরুল আলম ইয়াবার লাইনে পুরনো কারবারী। মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে বর্তমানে সে কারাগারে রয়েছে বলে জানা গেছে।

পুরান পাড়ার মনজুর এই এলাকার অন্যতম ইয়াবা কারবারী।
