টেকনাফকে আধুনিক উপজেলায় রূপান্তর করতে সকলের সহযোগিতা চাই-নুরুল আলম চেয়ারম্যান

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৫ years ago

মোঃ আশেক উল্লাহ ফারুকী : বাংলদেশের সর্বদক্ষিণ সাগর, নাফ নদী ও পাহাড় বেষ্টিত পর্যটন বান্দব সীমান্ত টেকনাফ উপজেলাকে একটি আধুনিক ও মানসম্মত উপজেলায় রূপান্তর করতে উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আলমের স্বপ্ন ছিল তার ছাত্র রাজনীতিকালেই। এ স্বপ্ন বাস্তাবায়নে তৃণমূল ছাত্র রাজনীতির অবিরত সংগ্রাম এবং যোগ্য নেতৃত্বের সিড়ি বেয়ে নিরংকুশভাবে গেল উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় এ বিজয় এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রæত উন্নয়ন বাস্তবায়নে তিনি জনগণের কাছে অঙ্গীকারাবদ্ধ। উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আলম উপজেলা মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় প্রায় বলে থাকেন, টেকনাফ উপজেলাকে আধুনিক উপজেলায় রূপান্তর করতে চাই। এটি আমার রাজনীতি জীবনের স্বপ্ন ছিল। এ স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমি সকলের সহযোগিতা চাই। কেননা বাংলাদেশে যে, কয়টি উপজেলা রয়েছে, তার মধ্যে টেকনাফ সীমান্ত উপজেলা প্রাকৃতিক সম্পদ এবং ব্যবসা বানিজ্যের জন্য প্রসিদ্ধ। শুধুমাত্র ব্যবসা বানিজ্য ছাড়া ও পর্যটনের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন সম্ভাবনা সুদূর পরাহত। সরকার টেকনাফ সীমান্ত উপজেলাকে পর্যটন খাতে বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। পরিকল্পনা বাস্তাবায়িত হলে টেকনাফ হবে একটি আধুনিক মডেল পর্যটন রাজধানী। তিনি আরো বলেন, টেকনাফ সীমান্ত উপজেলা একটি সমৃদ্ধ উপজেলা এবং এখানে রয়েছে মিয়নমারের সীমান্ত বানিজ্য, শাহপরীরদ্বীপ ক্যাটল করিডোর এবং প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে মাছ, পান, সুপারী, লবণ অন্যতম। এ ছাড়া বর্তমান সরকার টেকনাফে উন্নয়নে বহুমূখী উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এসব উন্নয়ন প্রকল্প সমূহ বর্তমানে বাস্তবায়নের পথে। অর্থনৈতিক এবং টেকনাফ একটি স¤ৃ^দ্ধ সীমান্ত পর্যটন উপজেলা হিসাবে খ্যাত লাভ করেছে। উল্লেখ্য টেকনাফ কক্সবাজার সাগর সৈকত মেরিন ড্রাইভ সড়ক বাস্তবায়নের পর উপকূলীয় এবং সাগর নাফনদী ও পাহাড় বান্দব উপজেলা উখিয়া, টেকনাফ এবং উপকূলীয় ইউনিয়ন উন্নয়নের ভাগ্যের আমুল পরিবর্তন ঘটেছে। ধেয়ে আসছে পর্যটনের ব্যবস্থা এবং পর্যটকদের আর্কষনীয় স্পটগুলো আধুনিকায়নের ব্যবস্থা। উপজেলা চেয়ারম্যন নুরুল আলম এ প্রসঙ্গে বলেন, চোরাচালান ও মাদক থেকে বিমুখ করতে হলে বেকার যুব সমাজকে সরকারী ও বেসরকারী চাকরীতে অগ্রাধিকার দিতে পারলে সীমান্তের এ সমস্যা দুরীভূত হবে। যার জন্য টেকনাফ দেশে বদনামের ভাগী। বিশেষ করে সাবরাং মানব পাচার এলাকা কাঁটাবনিয়া বিশাল এলাকায় এসক্লুসিভ জোন জইল্যার দ্বীপে ঝুলন্ত ট্রেন ও নাফনদীর উপকূলীয় প্রতিরক্ষা বাঁধ বনাম সীমান্ত সড়কের উন্নয়ন কাজ চলমান রযেছে। এটি বাস্তবায়িত হলে টেকনাফ সীমান্তের পর্যটন ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন ঘটবে। টেকনাফ হবে ভবিষ্যতে পর্যটন রাজধানী। এ উপলক্ষ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আলম স্থানীয় সরকার এবং গ্রামীণ অবকাঠামোসহ বিভিন্ন উন্নয়ন নির্মাণ প্রকল্প সমূহ সরেজমিন পরিদর্শন অব্যাহত রেখেছে যা অতীতে দেখা যায়নি। ###