ঝাঁড়ু মিছিল শেষে টেকনাফে ছাত্রলীগ নেতাসহ ২৮জনের বিরুদ্ধে মামলা

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৫ years ago

খাঁন মোহাম্মদ আইউব : টেকনাফের মৌলভীবাজারের দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ঝাঁড়ু মিছিল শেষে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল মোস্তফাসহ ২৮ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গত ১০ এপ্রিল হ্নীলা মৌলভীবাজার নাইক্ষংখালী এলাকার মৃত নুর আহামদের পুত্র বেলাল উদ্দীন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন এবং আসামীদের আটকের চেষ্টা চলছে বলে নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান।

মামলার এজাহার সূত্র মতে, গেলো ৭ এপ্রিল সকালে আসামিরা বাদীর ভাতিজা সাইফুল ইসলামকে লাঠি, দা ছুরি নিয়ে হামলা করতে আসে। এসময় তাকে বাঁচাতে আসলে মামলার বাদী বেলাল উদ্দীনকেও আঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। হামলা পরে আসামিরা ইট-পাটকেল ছুঁড়ে স্থানীয় মসজিদের জানালাসহ অন্যান্য অংশ ক্ষতিসাধন করে। পরে আসামীরা দফায় দফায় হামলা চালালে তাদের শান্ত করার জন্য এলাকাবাসী এগিয়ে এলে ওল্টো এলাবাসীর উপরেও হামলা চালায়।

প্রসঙ্গত, গেলো শুক্রবার এই হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে হ্নীলার মৌলভীবাজারের দুই গ্রামবাসীর মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে পুলিশসহ উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে ঘটনা নিয়ন্ত্রনে আনে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরের দিন শুক্রবার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল মোস্তফা বিরোধী তার এলাকার ছাত্রলীগ কর্মী ও সাধারণ ছেলেরা মোস্তফার গালে গালে জুতা মারো তালে তালে স্লোগান দিয়ে ঝাড়ু মিছিল বের করে।

ঘটনাটি দুই গ্রামের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার পেছনে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল মোস্তফাকে দ্বায়ী করা হয়। মূলত শুরুতে যার উপর হামলা করা হয়েছে সে নূরুল মোস্তফা হাইব্রিড জেনেই তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলো বলেই তাকে হামলা করা হয়েছে এমনটি অভিযোগ উঠেছে। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই নূরুল মোস্তফা সাবেক ছাত্রদলের ওয়ার্ড নেতা ও জামায়াত, বিএনপি পরিবারের সন্তান বলে বিতর্ক ছিলো। এই সংক্রান্ত বিষয়ে সে হাইব্রিড তা প্রমান পেয়ে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের পত্রিকায় অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশের পরেও কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের কোন তৎপরতা ছিলোনা। এই ঘটনার জন্য জেলা ছাত্রলীগকে দ্বায়ী করছে উপজেলা ছাত্রলীগের অধিকাংশ শীর্ষ নেতারা।