এম.জিয়াবুল হক : চলতি প্রজননন মৌসুমে সাগরে ইলিশ মাছ আহরণ নিষিদ্ধের সময়ে (৯-৩০ অক্টোবর) জেলে সম্প্রদায়ের কল্যাণে প্রনোদনা কর্মসুচির আওতায় ভিজিএফ চাউল বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছেন সরকার। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ নির্দেশে মৎস্য অধিদপ্তরে সারাদেশে নিবন্ধনভুক্ত জেলেদের মাঝে ইতোমধ্যে ভিজিএফ চাউল বিতরণ শুরু করেছেন।
এরই অংশহিসেবে মঙ্গলবার চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নে নিবন্ধনভুক্ত জেলেদের মধ্যে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় চাউল বিতরণ করা হয়েছে। স্থানীয় বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা মৎস্য অধিদফতরের আয়োজনে এ চাউল বিতরণ কর্মসুচির উদ্বোধন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম প্রত্যেক জেলে পরিবারের মাঝে ২০কেজি করে চাউল বিতরণ করেছেন।
চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে চাউল বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি বদরখালী ইউপি চেয়ারম্যান খাইরুল বশর, বদরখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান নুরে হোছাইন আরিফ, ইউপি সদস্য কুতুব উদ্দিন, তারেকুল ইসলামসহ বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি এমপি জাফর আলম বলেন, ‘সরকারীভাবে ইলিশ মাছের প্রজনন মৌসুম হিসেবে গত ৯অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন বঙ্গোপসাগরে জেলেদের মাছ ধরা নিষিদ্ধ রয়েছে। সরকারীভাবে জেলেদের খাদ্য সহায়তা হিসেবে চাউল সরবরাহের উদ্যোগ নেয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি আলহাজ জাফর আলম বলেছেন, সরকার প্রধান শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে নিয়ে সুন্দর আগামীর স্বপ্ন দেখেন। জনগনকে উন্নতমানের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ উপহার দিতে কাজ করছেন। তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বে দেশের প্রতিটি সেক্টরে পরিকল্পিত উন্নয়নে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ উন্নতশীল দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে।
সরকার ২০৪১ সালকে টার্গেট করে ভিশন নিয়ে কাজ শুরু করেছেন। সেইজন্য ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য সুন্দর আগামী বির্নিমানে এবং নিরাপদ আবাসন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে পরিকল্পিতভাবে কাজ করছেন।
তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষন নেতৃত্বে আজ দেশের অর্থনীতিতে সুচক বেড়েছে। খাদ্য নিরাপত্তা স্বনির্ভরতা অর্জন করেছে। এভাবে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। কৃষক, জেলে খামার কুমার সবাইকে প্রণোদনা কর্মসুচির আওতায় সহায়তা দিচ্ছে। শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে বিনাবেতনে লেখাপড়া ও উপবৃত্তির সুবিধা। বয়স্করা পাচ্ছেন বয়স্কভাতা। নারীরা পাচ্ছেন মাতৃকালীণ ভাতা। এছাড়াও প্রতিটি খাতে গরীব মানুষ সবধরণের সরকারি সহায়তা পাচ্ছে। তিনি বলেন, সরকারের সফল কর্মসুচির সঙ্গে সবাই যার যার অবস্থান থেকে কাজ করলে বাংলাদেশ অতি সন্নিকটে উন্নতশীল দেশের তকমা অতিক্রম করবে।
