টেকনাফ টুডে ডেস্ক : নবায়নযোগ্য জ্বালানীর সফল উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান জুলস পাওয়ার লিমিটেড এবার চাঁদপুরে ১০০ মেগাওয়াটের সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প নির্মাণ করবে। চাঁদপুর অর্থনৈতিক অঞ্চলে কোম্পানিটি এ সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পটি নির্মাণ করবে।
এ বিষয়ে শনিবার বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ও জুলস পাওয়ার লিমিটেডের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
বেজা কার্য়ালয়ে এ চুক্তি হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
চুক্তির আওতায় জুলস্ পাওয়ার লিমিটেড চাঁদপুর অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১০০ মেগাওয়াটের একটি সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করবে, যার বিনিয়োগ মূল্য প্রায় ১৮ কোটি ডলার।
প্রতিষ্ঠানটি চাঁদপুর অর্থনৈতিক অঞ্চলে একটি মাল্টিপারপাস জেটি এবং ৩৭ কিলোমিটার বিস্তৃত ১৩২ কেভির একটি ট্রান্সমিশন লাইন স্থাপন করবে।
চুক্তি অনুযায়ী, বেজা কর্তৃপক্ষ জুলস পাওয়ার লিমিটেডকে চাঁদপুর অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৫০০ একর জমি বরাদ্দ দেবে; যেখানে প্রতিষ্ঠানটি ১০০ মেগাওয়াটের একটি নবায়নযোগ্য সোলার পাওয়ার প্যানেল সিস্টেম স্থাপন করবে।
চুক্তিতে বেজার পক্ষে যুগ্নসচিব গাজী মোহা্ম্মদ সাইফুজ্জামান এবং জুলস পাওয়ার লিমিটেডের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুহের লতিফ খান স্বাক্ষর করেন।
এসময় বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরীসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জুলস্ পাওয়ার লিমিটেডের (জেপিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ঢাকা চেম্বারের পরিচালক নূহের লতিফ খান বলেন, “বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি খাত এবং বেজার পক্ষ হতে এ ধরনের সহযোগিতা আমাদের দেশে শিল্প-কারখানা ও ব্যক্তি পর্যায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে জ্বালানী চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।”
“প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এটিই হবে দেশের প্রথম নবায়নযোগ্য সোলার আইপিপি (ইন্ডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার) প্রকল্প।”
এর আগে জুলস পাওয়ার লিমিটেড টেকনাফ উপজেলার হ্নীলায় “টেকনাফ সোলারটেক” নামের ২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করে। যা গত ১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেন।এই কেন্দ্রটির বেশিরভাগ শেয়ারের মালিক জুলস পাওয়ার।
এ বছর বাংলাদেশের ‘সেরা আর্থিক লেনদেনের’ জন্য দেশের প্রথম সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র টেকনাফ সোলারটেক এনার্জিকে পুরস্কার দিচ্ছে হংকংভিত্তিক অর্থ-বাণিজ্যের সাময়িকী এশিয়া ফাইন্যান্স।
