নিজস্ব প্রতিবেদক : চকরিয়া উপজেলার বমুবিল ছড়িতে চাঁদা না দেওয়ায় বোরো মৌসুমের চাষাবাদের পানি চলাচলের ড্রেন কেটে দিয়েছে ফরহাদ শাহিন ও তার সহযোগীরা। গত ১০ ডিসেম্বর এ ঘটনা ঘটলেও এ নিয়ে এলাকার সাধারণ কৃষকদের মাঝে আতংক বিরাজ করছে। ক্ষতিগ্র¯’ কৃষকরা চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের বোরো মৌসুমের চাষাবাদের জন্য বীজতলা তৈরীর কাজ চলছে। বমুবিলছড়ি পনিস্যাবিল এলাকার বাসিন্দা মকছুদ আহমদ (স্কিম) পরিচালনা করে আসছে। ২০১২ সালে পনিস্যাখালে সরকারী অর্থায়নে ¯øুইচগেট ও পাকাড্রেন নির্মাণ করা হয়। ওই ড্রেনের বাকি অংশ স্কিম মালিক নিজের অর্থায়নে নির্মাণ করে চাষাবাদে সহায়তা করতে সেচকার্য পরিচালনা করে আসছেন। সেচ শুরু হলে এলাকার ফরহাদ শাহিনের নেতৃত্বে ১০-১২জন লোক স্কিম মালিকের কাছ থেকে চাঁদা দাবী করে আসছে। এই চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে সর্বশেষ গত ১০ ডিসেম্বর সকাল ১০টার দিকে ¯’ানীয় তার নেতৃত্বে ১০-১২জন লোক সন্ত্রাসী কায়দায় কাঁচা অংশ কেটে মাটির সাথে বিলিন করে দেন।
ভুক্তভোগী কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, ওই স্কিম পরিচালনা কতে হলে শাহিনকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হবে। অন্যথায় স্কিম বন্ধ করে দেয়া হবে সবাইকে জানিয়ে দিয়েছেন। হুমকির কারণে পানি চলাচল বন্ধ থাকায় কৃষকদের ৮০ একর জমির বীজতলা তৈরী বন্ধ রয়েছে। মৌসুম শেষ হতে চললেও এখনো জমিতে পানি দিতে না পারায় বোরো চাষ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন ওই এলাকার শতাধিক কৃষকরা।
এদিকে আবেদনের প্রেক্ষিতে চকরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার ওই এলাকার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোজাম্মেল হককে ঘটনা¯’লে পাঠানো হলে তাকে দূর্ব্যবহারও হুমকি প্রদর্শন করে ঘটনা¯’ল থেকে চলে যেতে বাধ্য করেন।
এ বিষয়টি চকরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। তিনি তাৎক্ষণিক উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ বিষয়ে যথাযথ ব্যব¯’া গ্রহণের আশ^াস প্রদান করেন।
অপরদিকে মঙ্গলবার সকালে ওই স্কিমের আওতাধীন শতাধিক কৃষক প্রয়োজনীয় ব্যব¯’া গ্রহণের দাবীতে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে মৌখিকভাবে আবেদন করেন। ক্ষতিগ্র¯’ কৃষকরা এ বিষয়ে কৃষিমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেছেন। ##
