এম.জিয়াবুল হক,চকরিয়া : চকরিয়া উপজেলার উপকুলের বদরখালী জেটিঘাটে যাত্রীবাহী ট্রলার ডুবে প্রায় ৩ লাখ টাকা মূল্যের মালামাল ভেসে গেছে। ঘটনার পরপর স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় প্রাণে রক্ষা পেয়েছে যাত্রীরা। তবে তাদের মধ্যে এতে নারী শিশুসহ ১৫ জন আহত হয়েছে। যাত্রীদেরকে উদ্ধারের পর প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য উপজেলা সরকারি হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে । বুধবার দুপুর ১২ টারদিকে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
দুর্ঘটনা পর পর ডুবে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধার করতে বদরখালী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি ও মহেশখালী কোস্ট গার্ডের সদস্যরা যৌথ ভাবে চেষ্টা চালাচ্ছে। গতকাল সন্ধ্যা নাগাদ ট্রলারটি তীরে তুলে আনতে সক্ষম হয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চকরিয়া উপজেলার বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খাইরুল বশর বলেন, জানা গেছে, গতকাল বুধবার সকাল ৮টার দিকে কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাকের উলাহ মালিকানাধীন এমবি সাকিব লঞ্চটি প্রতিদিনের মতো কক্সবাজার কস্তুরা ঘাট থেকে যাত্রী নিয়ে কুতুবদিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
দুপুর ১২ টার দিকে যাত্রীবাহী লঞ্চটি বদরখালী নৌ-অভ্যন্তরীণ জেটিঘাটে নোঙর করে লঞ্চে থাকা নারী-পুরুষদের নিচের কেবিনে বসায়। পরে বদরখালী বাজার থেকে প্রায় ৭০-৮০ বস্তা পিয়াজ ও গোল আলু তুলে লঞ্চের উপরের কেবিনে। এ অবস্থায় নোঙর তুলে কুতুবদিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়ার মুহুর্তে কোন কিছু বুঝে উঠার পূর্বে লঞ্চটি এক পাশে খাত হয়ে যায়। এ সময় লঞ্চের ভিতরে থাকা শিশু ও নারী-পুরুষ সহ শতাধিক যাত্রী চিৎকার করে পানিতে ঝাঁপ দেয়। তাৎক্ষনিক ঘাটে নোঙরে থাকা মাছ ধরার নৌ-যান ও জেটি থেকে লোকজন গিয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করে। তবে ওইসময় লঞ্চে থাকা বেশ কিছু মালামাল পানির স্রুতে ভেসে গেছে।
আক্রান্ত একাধিক যাত্রীদের অভিযোগ, ট্রলারের মাঝি আমাদের কথা না শুনে অতিরিক্ত মাল উঠানোর ফলে এমনটি হয়েছে। তারা প্রতিদিন অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল নিয়ে সাগরপথে ঝুঁিকর্পুণভাবে সদুর কুতুবদিয়া চলাচল করে থাকে।#
