চকরিয়া উপকূলের বদরখালীতে পদ্ধতির মৎস্য খামারে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ মরে গেছে ৪০ লক্ষ টাকার মাছ

লেখক: হুমায়ুন রশিদ
প্রকাশ: ৪ years ago

নিজস্ব প্রতিবেদক : চকরিয়া উপজেলার উপকুলীয় বদরখালী ইউনিয়নের আমিরখালী পাড়ার তরুণ উদ্যোক্তার পদ্ধতির মৎস্য প্রকল্পে বিষ প্রয়োগের ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই মৎস্য প্রকল্কের প্রায় ৪০ লক্ষ টাকার মাছ মরে গেছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী মালিক। বুধবার রাত আনুমানিক আটটার দিকে ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের আমিরখালী পাড়াস্থ আগারখাল মৎস্য প্রকল্পে ঘটেছে এ ঘটনা।
Screenshot 2022 07 29 21 43 54 710 com.facebook.katana 2 TEKNAF TODAY - সীমান্তের সর্বশেষ খবর
এ ঘটনায় মৎস্য প্রকল্পের মালিক মিজানুর রহমান বাদী হয়ে গতকাল চকরিয়া থানায় দূর্বৃত্তদের নামে একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেন। মৎস্য প্রকল্পের মালিক মাতারবাড়ী পাড়ার আবুল কালামের পূত্র মিজানুর রহমান ও মরহুম মাষ্টার গোলাম মাবুদের পূত্র হারুনুর রশিদ।
ভুক্তভোগী মৎস্য প্রকল্প মালিক মিজানুর রহমান বলেন, তার শ্বশুর হারুনর রশিদের সাথে যৌথ শেয়ারে ২৫০ শতক জমিতে পুকুর খনন করে এবছর কার্প জাতীয় মাছের চাষ করেন। উক্ত মৎস্য প্রকল্পে বিপুল টাকা লগ্নি করে বিভিন্ন জাতের মাছের মধ্যে কার্প জাতীয় মাছের পোনা ৩৫ মন, তেলাপিয়া মাছের পোনা ৩ লক্ষ, ১৫ হাজার পাঙ্গাসের পোনা, গলদা চিংড়ির পোনা ২০ হাজার ও ৫০ হাজার বাগদা চিংড়ির পোনা অবমুক্ত করেন।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে মৎস্য প্রকল্পের মাছ বিক্রি উপযোগী হয়ে উঠলে কতিপয় দূর্বৃত্তরা ইর্ষানিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ করে। এতে তাঁর অন্তত ৪০ লক্ষ টাকার মত ক্ষতি সাধন হয়েছে বলে তিনি জানান।

ধারদেনা করে অর্জিত সব টাকার মাছ দূর্বৃত্তরা বিষ প্রয়োগে মেরে ফেলে তাদেরকে পথে বসিয়েছে বলে অভিযোগ করেন অপর মৎস্য চাষি হারুনর রশিদ।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তী বলেন, বদরখালীতে মৎস্য প্রকল্পে বিষ প্রয়োগে মাছ মেরে ফেলার বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এবিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ##