এম.জিয়াবুল হক : চকরিয়ায় সেনা ক্যাম্পের পাদদেশ এলাকায় ৮ কোটি টাকা বরাদ্দের বিপরীতে দুই কিলোমিটার আয়তনে একটি দৃস্টিনন্দন সড়ক নির্মাণ কাজের পরিদর্শন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে চকরিয়া পৌরসভা ভবনের সামনে সেনা ক্যাম্পের এক নম্বর গেইটে সড়কটির নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেন সেনাবাহিনী রামু ১০ পদাতিক ডিভিশনের স্টেশন কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোহী।
চকরিয়া পৌরসভার সচিব মাস-উদ মোর্শেদ জানিয়েছেন, বিশ^ব্যাংকের সার্বিক সহযোগিতায় এমজিএসসি প্রকল্পের অর্থায়নে চকরিয়া পৌরসভার বিভিন্ন জনপদে ৭৬ কোটি টাকা বরাদ্দে অনেকগুলো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। উল্লেখিত প্রকল্পের ১২ নম্বর প্যাকেজের আওতায় ৮ কোটি টাকা বরাদ্দে নির্মিত হচ্ছে দুই কিলোমিটার আয়তনের একটি দৃস্টিনন্দন সড়ক।
তিনি বলেন, দৃস্টিনন্দন সড়কটি শুরু হয়েছে চকরিয়া সেনাক্যাম্পের এক নম্বর গেইট থেকে। সেখান থেকে কাজের অগ্রগতি শেষ হবে পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের বেতুয়াবাজার সেতুর পুর্বপাশে কানেটিং সড়ক পর্যন্ত এলাকায়। দৃষ্টিনন্দন সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি সড়কটির দুইপাশে বসানো হবে আধুনিকমানের ড্রেইন। কাজের শেষভাবে ড্রেইনের উপর বসবে উন্নতমানের টাইলস। ফুটপাতের প্রসস্থ জায়গা রেখে সড়কটি নির্মিত হবে। থাকবে লাইটিং ব্যবস্থা।
চকরিয়া সেনাক্যাম্প লাগোয়া দৃস্টিনন্দন সড়কটির নির্মাণ কাজের উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী, পৌরসভার সচিব মাস-উদ মোর্শেদ, পৌরসভার সকল কাউন্সিলর, প্রকৌশলী মাহাবুবুর রহমান ছাড়াও সেনা বাহিনীর বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা এবং এলাকার সুধীজন।
চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী বলেন, নির্বাচনের সময় পৌরবাসির কাছে আমার প্রতিশ্রæতি ছিল, পরিকল্পিত উন্নয়নের মাধ্যমে চকরিয়া পৌরসভাকে একটি স্বপ্নের মেগাসিটি হিসেবে রূপান্তর করবো। পৌরবাসি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা রেখেছেন, পৌরবাসি আমাকে বিজয়ী করেছেন। আমি জনগনের আস্থার প্রতিদান দিতে শপথ গ্রহণের পরদিন থেকে পৌরবাসির কল্যাণে উন্নয়নের পাশাপাশি সবধরণের সেবা নিশ্চিতে নিরলশভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি বলেন, সরকারের উন্নয়ন অগ্রগতির অংশহিসেবে বর্তমান পৌরপরিষদ চকরিয়া পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে পরিকল্পিত উন্নয়নে প্রতিটি এলাকাকে সাজাচ্ছেন। ধারাবাহিক উন্নয়ন কর্মকাÐের ফলে বর্তমানে চকরিয়া পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের লক্ষাধিক মানুষ নাগরিক সেবা পেতে শুরু করেছেন। আগামীতেও উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যাবে চকরিয়া পৌরসভা। ##
