চকরিয়ায় ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতে দোকান থেকে টাকা লুটের অভিযোগ

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৫ years ago

নিজস্ব প্রতিবেদক, চকরিয়া :
চকরিয়ায় প্রকাশ্যে দিবালোকে সাজ্জাদ হোসেন (২২) নামের এক ব্যবসায়ীকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে দোকান থেকে ৩০ হাজার টাকা লুট করার অভিযোগ উঠেছে। আহত ব্যবসায়ী সাজ্জাদকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আক্রান্ত বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালের দিকে চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডস্থ হরইখোলা মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত সাজ্জাদ হোসেন ওই ইউনিয়নের হরইখোলা গ্রামের নুরুল কবিরের ছেলে। সে পেশয় একজন মুদি দোকানদার।
অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের হরইখোলা গ্রামের নুরুল কবিরের ছেলে বৃহস্পতিবার সকালে তার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান মুদি দোকান খুলে ব্যবসা করেছিল। হঠাৎ দোকানে এসে একই এলাকার মনজুর আলমের ছেলে আছমিন হোসেন মুসা তুচ্ছ বিষয়ে কাটাকাটির জের ধরে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে মুসা পার্শ্ববর্তী দোকান থেকে ছুরি এনে এলোপাতাড়ি আঘাত করে দোকানদার সাজ্জাদকে।
এছাড়াও ঘটনার সময় সাজ্জাদের দোকানে ঢুকে প্রায় অর্ধ লক্ষাধিক টাকার বিভিন্ন মালামাল তছনছ করে দোকান থেকে নগদ ৩০ হাজার টাকা ও বাইশ হাজার টাকার মূল্যমান মোবাইল সেট লুট করা হয়েছে বলে দাবী করেছেন ক্ষতিগ্রস্থ দোকানদার সাজ্জাদ। স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে আহত সাজ্জাদ হোসেনকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে ভর্তি করা হয়েছে।
আহত সাজ্জাদ বলেন, আমার সাথে তার কোন শক্রুতা নেই। এদিন সকাল থেকে আমি দোকানে ছিলাম। আকস্মিক ভাবে বাকবিতন্ডা ও কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মুসা আমাকে জানে মেরে ফেলতে ছুরিকাঘাত করে। এসময় আমি বাঁধা দিতে গেলে দোকানের ক্যাশ বক্স থেকে ৩০ হাজার টাকা লুট করে মালামাল তছনছ করে মুসা। একপর্যায়ে স্বজোরে চিৎকার করলে স্থানীয় জসিম, সাইফুল, আবছার ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসলে মুসা তার হাতে থাকা ছুরি পেলে সটকে পড়ে।
তিনি আরও বলেন, ছুরিকাঘাত ও টাকা লুট করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় বিকেলে চকরিয়া থানায় বাদী হয়ে মুসাকে আসামী করে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকের মোহাম্মদ যুবায়ের বলেন, ঘটনার বিষয়ে থানায় লিখিত একটি অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য থানার এক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হলো। ঘটনা তদন্তপূর্বক পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।##