নিজস্ব প্রতিবেদক : চকরিয়া উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নে এবার বিক্রিত জমি ফের দখলে রাখার অভিযোগ উঠেছে আগের মালিকের বিরুদ্ধে। জমি কিনে বারবার দখল চাইলেও ক্রেতা পাঁচ সহোদরকে নানাভাবে হয়রাণি করা হচ্ছে। এই অবস্থায় বিক্রেতা জমি মালিকের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে চকরিয়া সিনিয়র সহকারি জজ আদালতে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী জমি ক্রেতা পাঁচ সহোদর। ইউনিয়নের রামপুর মৌজার উমখালী এলাকায় ঘটেছে এ প্রতারণার ঘটনা।
জমির ক্রেতা সাহারবিল ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের রামপুর উমখালী এলাকার আলহাজ দোলা মিয়ার ছেলে আলহাজ আবদুর রহিম জানান, তিনিসহ তাঁর অপর চার ভাই আবদুল করিম, আবদুল মালেক, সরওয়ার আলম ও মৌলভী আবদুল কাদের এর নামে আরএস ১০ নং খতিয়ানের ও বিএস ৩১ নং খতিয়ানের মোট দশমিক ২৯৩৪ শতক জমি আগের মালিক নুরুল কাদের ও সোনা মিয়া প্রকাশ আজিজুল হাকিমের কাছ থেকে উচিতমুল্যে ২০২১ সালের ২ নভেম্বর ৫৩৬৮ নং রেজিষ্ট্রাট দলিলমুলে ক্রয় করেন। উল্লেখিত জমির বিপরীতে ক্রেতাদের নামে দিয়ারা খতিয়ানও সৃজন হয়েছে।
ভুক্তভোগী জমি মালিক আবদুর রহিম অভিযোগ করে বলেন, একবছর তিনমাস আগে উচিতমুল্যে উল্লেখিত জমি ক্রয় করলেও অধ্যবদি বিক্রেতা নুরুল কাদের ও সোনা মিয়া প্রকাশ আজিজুল হাকিম জমির দখল বুঝিয়ে দিতে নানাভাবে সময়ক্ষেপন করতে শুরু করে। এমনকি ক্রয়কৃত জমি চাইলে উল্টো নানাভাবে হয়রাণির চেষ্ঠা চালিয়ে আসছে।
স্থানীয়ভাবে বিষয়টি সমাধানপুর্বক বিক্রিত জমিসমুহ দখল ফেরত চেয়ে বারবার ব্যর্থ হয়ে জমির ক্রেতা আবদুর রহিম গং বাদি হয়ে সর্বশেষ চকরিয়া সিনিয়র সহকারি জজ আদালতে অভিযুক্ত জমি বিক্রেতা দুইজনকে আসামি করে একটি অপর মামলা (২৯/২২) দায়ের করেছেন। মামলায় জমি বিক্রেতা সাহারবিল ইউনিয়নের রামপুর উমখালী এলাকার মৃত আবদুল হাকিমের ছেলে নুরুল কাদের ও দোলা মিয়ার ছেলে সোনা মিয়া প্রকাশ আজিজুল হাকিমকে আসামি করেছেন। এই অবস্থায় উচিতমুল্যে ক্রয়কৃত জমি উদ্ধারে মামলার বাদি ভুক্তভোগী আবদুর রহিম আদালতের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। ##
