হোয়াইক্যং মাদক আস্তানায় বন্দুক যুদ্ধে নিহত-১ : আতংকে অপর গডফাদারেরা!

লেখক: নুরুল করিম রাসেল
প্রকাশ: ৭ years ago

বিশেষ প্রতিবেদক : হোয়াইক্যংয়ে মাদকের নিরাপদ আস্তানায় বন্দুক যুদ্ধে এক মাদক কারবারী নিহত হয়েছে। ঘটনাস্থল হতে এলজি, কার্তুজ ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনার পর পরই স্বশস্ত্র মাদক গডফাদারেরা পাহাড়ী আস্তানায় আতœগোপনে চলে গেছে।

জানা যায়, ১১ মার্চ ভোররাতে টেকনাফ থানা পুলিশের হাতে আটক হোয়াইক্যং পূর্ব সাতঘরিয়া পাড়ার শাহ আলমের পুত্র আব্দুর রহমান (২৩) কে নিয়ে শিয়াইল্যাঘোনা পাহাড়ে অভিযানে গেলে ওঁৎপেতে থাকা তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। পুলিশও আতœরক্ষার্থে গুলিবর্ষণ করলে দু’পক্ষের মধ্যে বন্দুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল তল্লাশী করে পুলিশ গুলিবিদ্ধ আব্দুর রহমান, ১টি দেশীয় তৈরী এলজি, ৩ রাউন্ড কার্তুজ এবং ৩ হাজার ইয়াবা করে। গুলিবিদ্ধ আব্দুর রহমানকে উপজেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে পোস্টমর্টেমের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছেন।
টেকনাফ মডেল থানার অফিসার্স ইনচার্জ প্রদীপ কুমার দাশ, বন্দুক যুদ্ধের সত্যতা নিশ্চিত করে ১টি দেশীয় তৈরী এলজি, ৩ রাউন্ড কার্তুজ এবং ৩ হাজার ইয়াবা উদ্ধারের সত্যতা স্বীকার করেন।

নিহত আব্দুর রহমান একজন ছাত্র থাকলেও স্থানীয় চিহ্নিত মাদক কারবারী আবু তাহের, মোহাম্মদ নুর খোকন, জাফরী, দেলোয়ার, শাহাদাত, কাঁচার পাড়ার শামসু, দেলোয়ার, জাহেদ, হামিদ হোছন, উমর আলী, বাবুলসহ অর্ধশতাধিক ইয়াবা কারবারীদের ইয়াবার চালান বহন, খুচরা নিয়ে বিক্রি ও টাকা বহনের মাধ্যমে মাদকের স্বর্গরাজ্যে পা দেয়। মাদকের ঘোর বিরোধী অভিযান চলাকালে নিহত আব্দুর রহমান পাওনা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে আতœগোপনে চলে যায়। শেষ বেলায় এলাকায় ফেরার পথে সে আইন-শৃংখলা বাহিনীর হাতে আটক হয়।