নিজস্ব প্রতিবেদক : চকরিয়া উপজেলার ফাসিয়াখালী ইউনিয়নের পূর্বশত্রæতার জেরধরে বসতবাড়িতে ঢুকে হামলা, ভাংচুর ও গুলি বর্ষনের ঘটনা ঘটেছে। এসসময় পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মধ্যম দিগরপানখালী গ্রামে ২১ ফেব্রæয়ারী সকাল ৬ঘটিকার দিকে ঘটেছে এ ঘটনা।
এঘটনায় আক্রান্ত পরিবার সদস্য ইউনিয়নের মধ্যম দিগরগানখালী গ্রামের মৃত জহির আহামদ সিকদারের পুত্র মো: কাউছার উদ্দিন বাদী হয়ে ২৩ ফেব্রæয়ারী বিকেলে থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। এতে একই এলাকার কামাল উদ্দিনের (মাল কালু) পুত্র আবদুল হক মানিক, আবদুল হামিদ, আবদুল মন্নান, মৃত গুরা মিয়ার পুত্র জাফর আলমকে আসামি করা হয়েছে।
থানার এজাহারে অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে, অভিযুক্তরা পূর্বশত্রæতার জেরধরে ঘটনার দিন সকালে পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বাহাদুর আলমের বসতভিটার উঠানে সীমানা ভাংচুর করে ১৫হাজার টাকার ক্ষতি করে। ওই সময় মৃত জহির আহামদ সিকদারের পুত্র মো: কাউছার উদ্দিন (৪৫) ও ভাতিজা মো: এরশাদের স্ত্রী কানিছ ফাতেমা (২৫) বাঁধা দিলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাদেরকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এক পর্যায়ে কানিছ ফাতেমাকে চুলে ধরে টানা-হেঁচড়া ও বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানী করে। এসময় তার গলায় থাকা এক ভরি ওজনের ১টি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়।
হামলাকালে কেটে যায় কাউছার উদ্দিনের হাতে আঙ্গুল। ওই সময় ভাইবধু দিলজাহান বেগম (৪৫) এগিয়ে গেলে তাকে সর্বশরীরে এলোপাতাড়ী আঘাত করে জখম করে। গলায় থাকা ৭০ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণের চেইনও ছিনিয়ে নেয়। পরে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে ফাঁকা গুলি ছুড়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। আহত তিনজনকে চকরিয়া সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ওসমান গনি বলেন, ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।##
