এম.জিয়াবুল হক : সহায়ক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় আন্ত: স্কুল মহিলা ফুটবল টুর্নামেন্ট প্রতিযোগিতা অবশেষে সফলভাবে সমাপ্ত হয়েছে। সর্বশেষ রোববার (২ ফেব্রæয়ারী) টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা মালুমঘাটস্থ মেমোরিয়াল খ্রীস্টান হাসপাতাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে। খেলা শেষে বিজয়ী ও বিজীত দলের খেলোয়াড়-কর্মকর্তাদের হাতে ট্রপি ও পুরস্কার তুলে দেয়া হয়েছে।
সহায়ক ফাউন্ডেশনের সমন্বয়ক রুনেন্দু বিকাশের সভাপতিত্বে ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও কক্সবাজার জেলা ফুটবল ফেডারেশনের (ডিএফএ) সভাপতি আলহাজ্ব ফজলুল করিম সাঈদী। অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ছিলেন চকরিয়া থানার (ওসি) মোঃ হাবিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন মালুমঘাট মেমোরিয়াল খ্রীস্টান হাসপাতালের পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা জোসেফ অমুল্য রায়, ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আলহাজ মো.শওকত আলী, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য ফুটবল কোচ নুরুল আবছার, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সাজ্জাদ হোসেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে সহায়ক ফাউন্ডেশনের সকল কর্মকর্তা, মালুমঘাট খ্রীস্টান হাসপাতালের কর্মকর্তা, চিকিৎসক, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, টুর্নামেন্টে অংশনেয়া ক্ষুদে নারী ফুটবল এবং দর্শকবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ ফজলুল করিম সাঈদী বলেছেন, স্বাধীনতার পর থেকে ১৮টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার সম্ভাবনার উপজেলা চকরিয়া সকল ধর্মের মানুষের সম্প্রীতির একটি মেলবন্ধনে সমৃদ্ধ জনপদ। এখানে সকল ধর্মের মানুষ শান্তিপুর্ণভাবে বসবাস করেন। এখানে কোন ধরণের ভেদাভেদ নেই। আশাকরি সম্প্রীতির ফুটবল টুর্নামেন্ট সকল ধর্মের মানুষের মাঝে সম্প্রীতির মেলবন্ধন অটুট রাখতে সফল হবে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদেরকে দক্ষ মানব সম্পদ হিসেবে তৈরী করতে কাজ করছেন। সেইজন্য তিনি লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চামুখী করতে নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছেন। স্কুল মাদরাসায় বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ প্রবর্তন করেছেন।
চকরিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী আরও বলেন, লেখাপড়ার সঙ্গে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিতে মনোযুগী থাকলে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা কোনদিন বিপদগামী হবেনা। একই সঙ্গে ক্রীড়া চর্চার মাধ্যমে যুব সমাজকেও নানা অপরাধ প্রবণতা থেকে মুক্ত রাখা সম্ভব হবে। তাই এখন থেকে শিক্ষার্থীদেরকে বিপদগামী থেকে মুক্ত রাখতে চকরিয়া উপজেলার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়ার সঙ্গে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাÐে মনোযুগী করতে হবে। সেই আলোকে নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থী ও যুবসমাজকে সকল ধরণের অপরাধ প্রবণতা এবং বিপদগামী থেকে মুক্ত রাখতে এবং গ্রামেগঞ্জে ছড়িয়ে থাকা নতুন প্রজন্ম থেকে আগামীদিনের দেশসেরা তারকা খেলোয়াড় তৈরীতে আগামীতে চকরিয়ার প্রতিটি জনপদে খেলাধুলাকে জনপ্রিয় করা হবে। ##
