চকরিয়ায় পাহাড় কাটা ও বালু উত্তোলনে বাঁধা দেওয়ায় জুলাই যোদ্ধার ওপর লুটেরা চক্রের হামলা ; জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি 

লেখক: টেকনাফ টুডে ডেস্ক :
প্রকাশ: ১০ মাস আগে

এম জিয়াবুল হক : চকরিয়া উপজেলার মানিকপুরে পাহাড় কেটে মাটি লুট ও নিকটস্থ  মাতামুহুরী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন কোনভাবে থামানো যাচ্ছে না। এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে পরিবেশ বিধংসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় উল্টো বালু লুটেরা চক্রের হাতে হামলার শিকার হয়েছেন জুলাই যোদ্ধা মোহাম্মদ হাসান (২৩)। ঘটনার পর আত্মীয় স্বজন ও বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে  রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে।
গত  বুধবার সন্ধ্যার দিকে চকরিয়া উপজেলার  কাকারা ইউনিয়নের মাঝের ফাঁড়ি ব্রিজসংলগ্ন
অবৈধ বালুর পয়েন্টে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার সুরাজপুর মানিকপুর ইউনিয়নের মধ্যম মানিকপুর এলাকার নুরুল আলমের ছেলে জুলাই যোদ্ধা মোহাম্মদ হাসান গত বছরের ১৮ জুলাই চট্টগ্রামের নতুন ব্রিজ এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন।
মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের তাঁর গেজেট নম্বর-৫৮।
এদিকে জুলাই যোদ্ধার উপর হামলার ঘটনায় জড়িত পাহাড় ও বালু খেকোচক্রের সদস্যদের অবিলম্বে  গ্রেপ্তার এবং পাহাড় কাটারোধ, মাতামুহুরী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে গতকাল  বৃহস্পতিবার (১২ জুন) বিকালে চকরিয়া পৌরশহরে সংবাদ সম্মেলন করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু পরবর্তী  পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আহত জুলাই যোদ্ধা মোহাম্মদ হাসান বলেন, মানিকপুর এলাকায় বিএনপির নাম ভাঙিয়ে সরকারি বনাঞ্চলের গাছপালা উজাড়, পাহাড় সাবাড় করে মাটি বিক্রি এবং মাতামুহুরী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন সানাউল্লাহ, মোহাম্মদ সাদু, মো. হুবাইব, মোহাম্মদ মোস্তফা, মোহাম্মদ জমিরসহ একটি সিন্ডিকেট।
স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিযোগের আলোকে  পরিবেশবিধ্বংসী এই কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে বাঁধা দিতে লুটেরা চক্রের লোকজন আমার ওপর দলবদ্ধ হামলা করে। এ সময় বেধড়ক পিটিয়ে আমাকে জখম করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চকরিয়া উপজেলার ছাত্র প্রতিনিধি মোবারক হোসেন জিহান, শামসুল আলম সাঈদী, সায়েদ হাসান সহ বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। ##